৫০তম কলকাতা বইমেলার দিনক্ষণ ঘোষণা, আয়োজনে গিল্ড—সহযোগিতায় রাজ্য সরকারের গঠিত কমিটি!

নিজস্ব সংবাদদাতা : ১৯৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় পাবলিশার্স অ্যান্ড বুকসেলার্স গিল্ড। তার পরের বছর, ১৯৭৬ সালের ৫ মার্চ শুরু হয় কলকাতা বইমেলার পথচলা। সেই থেকে দীর্ঘ পাঁচ দশক ধরে গিল্ডই এই ঐতিহাসিক বইমেলার আয়োজন ও পরিচালনার দায়িত্ব সামলে আসছে।বইমেলা থেকে ত্রিদিব চ্যাটার্জি ও সুধাংশু দে-কে বাদ দেওয়া হয়নি। তাঁরা পাবলিশার্স অ্যান্ড বুকসেলার্স গিল্ডের দায়িত্বে যেমন রয়েছেন, তেমনই থাকবেন বলে স্পষ্ট জানানো হয়েছে।গিল্ডের কার্যক্রম ও বইমেলা আয়োজনে সহযোগিতার জন্য রাজ্য সরকার একটি বিশেষ কমিটি গঠন করেছে। তবে বইমেলার মূল আয়োজক হিসেবে থাকছে পাবলিশার্স অ্যান্ড বুকসেলার্স গিল্ডই। এতদিন বইমেলা আয়োজনে রাজ্য সরকারের সহযোগিতা থাকলেও, এবার সেই সহযোগিতার ক্ষেত্রে নবগঠিত কমিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।কমিটিতে গিল্ড ও প্রকাশক প্রতিনিধিদের মধ্যে রয়েছেন দেবজ্যোতি দত্ত, অনিল আচার্য, মিলিন্দ দে এবং রাজকুমার বর্মন-সহ অন্যান্যরা।

এদিকে, ৫০তম আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলার দিনক্ষণও ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ২২ জানুয়ারি ২০২৭ থেকে শুরু হবে এই ঐতিহাসিক বইমেলা, চলবে ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ পর্যন্ত।ফলে গিল্ডের নেতৃত্ব ও বইমেলার আয়োজন নিয়ে যে জল্পনা তৈরি হয়েছিল, তাতে অনেকটাই ইতি পড়ল।১৯৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় পাবলিশার্স অ্যান্ড বুকসেলার্স গিল্ড। তার পরের বছর, ১৯৭৬ সালের ৫ মার্চ শুরু হয় কলকাতা বইমেলার পথচলা। সেই থেকে দীর্ঘ পাঁচ দশক ধরে গিল্ডই এই ঐতিহাসিক বইমেলার আয়োজন ও পরিচালনার দায়িত্ব সামলে আসছে।এবার কলকাতা বইমেলার ৫০ বছর পূর্তি। স্বাভাবিকভাবেই কলকাতার পাশাপাশি পাবলিশার্স অ্যান্ড বুকসেলার্স গিল্ডের কাছেও এই মাইলফলক অত্যন্ত গর্বের।

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই এবারের কলকাতা বইমেলার আয়োজন ও পরিচালনা নিয়ে নানা মহলে জল্পনা শুরু হয়েছিল। এরই মধ্যে গত ২১ আগস্ট কলকাতা বইমেলা নিয়ে নবান্নের ১৪ তলার কনফারেন্স রুমে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।সেই বৈঠকের মিনিটস প্রকাশ করেছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রীর প্রধান উপদেষ্টা সুব্রত গুপ্তের স্বাক্ষরিত ওই নথিকে ঘিরেই বইমেলার আয়োজন ও ভবিষ্যৎ পরিচালনা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।