বিজয়া সম্মিলনীর মঞ্চে সংবর্ধিত ৯৪ বছরের ক্রীড়া সংগঠক নিকুঞ্জ বারিক
নিজস্ব সংবাদদাতা : বিজয়ার আনন্দ, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে সম্মান জানানোর মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হলো বিজয়া উৎসব ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। সোমবার বগছড়ির শকুনডিহা গ্রামে স্বপনবুড়ো স্মৃতিরক্ষা সমিতি পশ্চিমাঞ্চলের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিলেন সমিতির উপদেষ্টা, অবিভক্ত মেদিনীপুর জেলার বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক তথা সর্বজন শ্রদ্ধেয় ৯৪ বছর বয়সি নিকুঞ্জ বারিক। তাঁকে বিশেষ সংবর্ধনা জ্ঞাপন করে সমিতির সদস্য ও উপস্থিত বিশিষ্টজনেরা।অনুষ্ঠানের সূচনা হয় সমিতির পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে। পতাকা উত্তোলন করেন নিকুঞ্জ বারিক। এরপর শপথবাক্য পাঠ এবং প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন অ্যাথলেটিক কোচ সুব্রত পান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সমিতির সভাপতি তথা বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ চঞ্চল মাসান্ত।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ম্যারাথন দৌড়বীর শ্যামাপদ দাস, ক্রীড়াবিদ অসিতকুমার মণ্ডল, সমাজসেবক পঙ্কজ পাত্র, শিক্ষিকা বৃতি গাঙ্গুলী, সমিতির সহ-সভানেত্রী গীতালি দাস, ক্রীড়াবিদ দিল্লেশ্বর পাল এবং অন্যতম উপদেষ্টা সোমনাথ মন্ত্রী। এছাড়াও সমিতির বিভিন্ন পদাধিকারী, সদস্য-সদস্যা এবং এলাকার বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।দীর্ঘদিন ধরে অবিভক্ত মেদিনীপুরের ক্রীড়াক্ষেত্রে নিকুঞ্জ বারিকের অবদান ও তাঁর সাংগঠনিক ভূমিকার কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন উপস্থিত অতিথিরা। ৯৪ বছর বয়সেও তাঁর উপস্থিতি ও কর্মময় জীবনের অভিজ্ঞতা নতুন প্রজন্মের কাছে বিশেষ অনুপ্রেরণা বলে মত প্রকাশ করেন তাঁরা। সংবর্ধনার মধ্য দিয়ে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করা হয়।নাচ, গান, বক্তব্য এবং শুভেচ্ছা বিনিময়ে অনুষ্ঠানটি হয়ে ওঠে আনন্দঘন ও স্মরণীয়। বিজয়ার সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির আবহে সকলের আশীর্বাদ ও শুভেচ্ছায় ভরে ওঠে সমগ্র অনুষ্ঠান প্রাঙ্গণ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করেন সমিতির সম্পাদক পূর্ণেন্দু জানা।