শামির পুরস্কার নিয়েই ঝড়! হারের পর ক্ষোভ উগরে দিল দুই শিবিরের সমর্থকরা

নিজস্ব সংবাদদাতা: সুপার ওভারের উত্তেজনায় শেষ পর্যন্ত জয় ছিনিয়ে নিল কেকেআর। কিন্তু ম্যাচ শেষের পরেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়ে গেল একাধিক বিতর্ক। বিশেষ করে অঙ্গকৃষ রঘুবংশীর বিতর্কিত রানআউট এবং মহম্মদ শামির পুরস্কার ঘিরে শুরু হয়েছে তুমুল তর্ক-বিতর্ক।প্রথমে ব্যাট করে কলকাতা নাইট রাইডার্স তোলে ১৫৫ রান। জবাবে ব্যাট করতে নেমে লখনউ সুপার জায়ান্টসও একই রান তোলে। শেষ বলে প্রয়োজন ছিল ৭ রান—সেখানেই নাটকীয়ভাবে ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচ টাই করেন Mohammad Shami। ফলে ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে, যেখানে শেষ হাসি হাসে কেকেআর।তবে ম্যাচের সবচেয়ে বড় বিতর্ক তৈরি হয় অঙ্গকৃষ রঘুবংশীর রানআউট ঘিরে। রান নিতে গিয়ে ফিরে আসার সময় শামির ছোড়া বল তাঁর গায়ে লাগে। এরপর আম্পায়ার ‘অবস্ট্রাকটিং দ্য বল’ আউট দেন। এই সিদ্ধান্ত নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন বহু ক্রিকেটপ্রেমী। নাইটভক্তদের অভিযোগ, এটি ইচ্ছাকৃত নয়, বরং দুর্ঘটনাবশত হওয়া ঘটনা—তবু কেন এমন আউট দেওয়া হল?অন্যদিকে, ম্যাচ শেষে লখনউ শিবিরে শামিকে দেওয়া হয় বিশেষ সম্মান—‘চ্যাটজিপিটি আইকিউ অ্যাওয়ার্ড’। দলের দাবি, কঠিন পরিস্থিতিতে বুদ্ধিমত্তা দেখিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে ম্যাচ ঘোরানোর জন্যই এই সম্মান। কিন্তু এই পুরস্কারেই ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন কেকেআর সমর্থকরা। তাঁদের বক্তব্য, “যা স্পষ্ট বিতর্কিত, সেটাকেই কীভাবে ‘বুদ্ধিমত্তা’ বলে সম্মান দেওয়া হয়?”এদিকে লখনউ সমর্থকরাও পিছিয়ে নেই। তাঁদের অভিযোগ, আম্পায়ারের ভুল সিদ্ধান্তেই ম্যাচ হাতছাড়া হয়েছে। ১২তম ওভারে Rishabh Pant-এর একটি বাউন্ডারি আম্পায়ার চার হিসেবে দেন। যদিও টিভি গ্রাফিক্সে সেটি ছয় বলে ইঙ্গিত পাওয়া যায়। লখনউ শিবিরের দাবি, সেটি যদি ছয় ধরা হত, তাহলে অতিরিক্ত ২ রান পেয়ে ম্যাচ আর টাই হত না—বরং তারাই জিতে যেত।এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। যদিও সংশ্লিষ্ট ভিডিও বা প্রমাণ অনেকটাই উধাও বলে অভিযোগ উঠছে।সব মিলিয়ে, মাঠের লড়াই শেষ হলেও বিতর্কের আগুন এখনো জ্বলছে। জয় কেকেআরের হলেও, প্রশ্নের মুখে আম্পায়ারিং এবং ‘স্পিরিট অফ দ্য গেম’। ক্রিকেটপ্রেমীরা এখন তাকিয়ে—এই বিতর্কের শেষ কোথায়?