মাধ্যমিকে রাজ্যসেরা উত্তর দিনাজপুরের অভিরূপ, মেধাতালিকায় ১৩১ পড়ুয়া

অভিজিৎ সাহা: প্রকাশিত হল ২০২৬ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল। এবছর রাজ্যের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করে নজর কাড়ল উত্তর দিনাজপুর জেলার ছাত্র অভিরূপ ভদ্র। উত্তর দিনাজপুরের সারদা বিদ্যামন্দিরের এই কৃতী ছাত্র পেয়েছে ৭০০-র মধ্যে ৬৯৮ নম্বর। শতাংশের হিসেবে যা ৯৯.৭১। ফল প্রকাশের পর থেকেই অভিরূপকে ঘিরে জেলায় খুশির আবহ তৈরি হয়েছে। শুক্রবার সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করেন পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায়। এবছর মাধ্যমিকের মেধাতালিকায় জায়গা করে নিয়েছে মোট ১৩১ জন পড়ুয়া। রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে ছাত্রছাত্রীরা নিজেদের মেধার ছাপ রেখে জায়গা করে নিয়েছে প্রথম দশে

প্রথম স্থান করে নজর কাড়ল উত্তর দিনাজপুর জেলার ছাত্র অভিরূপ ভদ্র।

দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে বীরভূম জেলার প্রিয়তোষ মুখোপাধ্যায়। সরোজিনীদেবী সরস্বতী শিশু বিদ্যামন্দিরের এই ছাত্র পেয়েছে ৬৯৬ নম্বর। মাত্র দুই নম্বরের ব্যবধানে রাজ্যসেরা হওয়ার সুযোগ হাতছাড়া হলেও তার ফলাফল নিয়েও গর্বিত পরিবার ও স্কুল কর্তৃপক্ষ।

দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে বীরভূম জেলার প্রিয়তোষ মুখোপাধ্যায়।

তৃতীয় স্থানে রয়েছে তিনজন পড়ুয়া— সৌর জানা, মৈনাক মণ্ডল এবং অঙ্কনকুমার জানা। প্রত্যেকেরই প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৫।

তৃতীয় স্থানে রয়েছে তিনজন পড়ুয়া— মৈনাক মণ্ডল।

চতুর্থ স্থানে রয়েছে চারজন পরীক্ষার্থী। অরিজিৎ বর, রোম কর্মকার, সৌদীপ দাস এবং সোহম জোয়ারদার প্রত্যেকেই পেয়েছে ৬৯৪ নম্বর। পঞ্চম স্থানে থাকা পরীক্ষার্থীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য দ্বৈপায়ন বিশ্বাস, সামন্তক কুণ্ডু, বেদাশ্রুতি সিনহা, সমন্বয় দেবনাথ, আয়ুষ সাহা ও অরণ্য সরকার।

তৃতীয় স্থানে রয়েছে তিনজন পড়ুয়া— সৌর জানা।

এছাড়াও ষষ্ঠ স্থানে থাকা একাধিক ছাত্রছাত্রীর মধ্যে আদ্রিত গোস্বামী, বিদিশা হালদার, অগ্নিপ্রভ নন্দ, সোহিনী কোলে এবং দেবাদৃত সরকারের নাম বিশেষভাবে উঠে এসেছে।এবারের ফলাফলে উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ— সর্বত্রই ছাত্রছাত্রীদের সাফল্য নজর কেড়েছে। শহর থেকে গ্রাম, সরকারি স্কুল থেকে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান— সব ক্ষেত্রেই ছাত্রছাত্রীরা কৃতিত্বের পরিচয় দিয়েছে। শিক্ষা মহলের মতে, এবারের ফলাফল প্রমাণ করেছে রাজ্যের ছাত্রছাত্রীরা কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে নতুন উচ্চতায় পৌঁছতে সক্ষম। ফল প্রকাশের পর থেকেই বিভিন্ন স্কুলে শুরু হয়েছে আনন্দ উদযাপন। কোথাও মিষ্টিমুখ, কোথাও আবার শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গে কৃতী ছাত্রছাত্রীদের ছবি তোলার হিড়িক দেখা গিয়েছে। আগামী দিনে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রেও এই পড়ুয়ারা রাজ্যের মুখ উজ্জ্বল করবে বলেই আশা শিক্ষা মহলের।