কাবুলে ভয়াবহ বিমান হামলা: ৪০০ মৃত, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ আফগানিস্তানের!
নিজস্ব সংবাদদাতা : আফগানিস্তানের রাজধানী Kabul-এ এক বিধ্বংসী বিমান হামলায় অন্তত ৪০০ জনের মৃত্যু ঘিরে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। এই ঘটনার জন্য সরাসরি Pakistan-এর সেনাবাহিনীকে দায়ী করেছে Afghanistan। যদিও ইসলামাবাদ এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ ‘মিথ্যা’ এবং ‘জনমত বিভ্রান্তির চেষ্টা’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে।আফগানিস্তানের তালেবান সরকারের দাবি, কাবুলে অবস্থিত Omar Addiction Treatment Hospital-এ এই হামলা চালানো হয়, যেখানে মাদকাসক্তদের চিকিৎসা চলছিল। প্রায় ২,০০০ শয্যার এই হাসপাতালটি রাত প্রায় ৯টা নাগাদ ভয়াবহ বিস্ফোরণে কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।তালেবান সরকারের উপ-মুখপাত্র Hamdullah Fitrat ‘এক্স’ প্ল্যাটফর্মে জানান, “এই মর্মান্তিক ঘটনায় মৃতের সংখ্যা ইতিমধ্যেই ৪০০-তে পৌঁছেছে এবং প্রায় ২৫০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।” উদ্ধারকারী দলগুলি এখনও ঘটনাস্থলে তৎপর রয়েছে—আগুন নেভানো ও ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া দেহ উদ্ধার করার কাজ চলছে জোরকদমে।
স্থানীয় টেলিভিশনের ফুটেজে দেখা গিয়েছে, বিধ্বস্ত হাসপাতালের ধ্বংসাবশেষে দাউদাউ করে আগুন জ্বলছে, আর সেই আগুন নেভাতে প্রাণপণ চেষ্টা চালাচ্ছেন দমকলকর্মীরা।ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী, হাসপাতালের নিরাপত্তারক্ষী ৩১ বছরের ওমিদ স্তানিকজাই জানিয়েছেন, হামলার কিছুক্ষণ আগে আকাশে যুদ্ধবিমানের শব্দ শোনা যায়। তাঁর কথায়, “চারপাশে সামরিক ইউনিট মোতায়েন ছিল। তারা বিমানটিকে লক্ষ্য করে গুলি চালালে, যুদ্ধবিমানটি বোমা ফেলে। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে।”তিনি আরও দাবি করেন, নিহত ও আহতদের সবাই সাধারণ বেসামরিক মানুষ, যা এই হামলাকে আরও ভয়াবহ ও বিতর্কিত করে তুলেছে।অন্যদিকে পাকিস্তানের তরফে জানানো হয়েছে, তারা কেবল কাবুল ও নানগারহার অঞ্চলের নির্দিষ্ট সামরিক লক্ষ্যবস্তুতেই হামলা চালিয়েছে, কোনও হাসপাতাল বা বেসামরিক স্থাপনায় নয়।এই ঘটনাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে—এটি কি ভুল লক্ষ্যবস্তু, নাকি পরিকল্পিত হামলা? উত্তর খুঁজছে গোটা বিশ্ব।