মৌমাছি নেই, মাঠে ফলন শূন্য! বিষ্ণুপুরে ভেঙে পড়ছে কুমড়ো চাষ, আমদানির পথে নির্ভরতা!
নিজস্ব সংবাদদাতা : পরাগায়ন না হলে নিষেক হয় না, ফলে জন্মায় না ফল বা বীজ—ব্যর্থ হয় গোটা ফসল। এই স্বাভাবিক প্রাকৃতিক চক্রের কেন্দ্রেই রয়েছে মৌমাছি। ফুল থেকে ফুলে উড়ে গিয়ে তারা পরাগ বহন করে, যার মাধ্যমে সম্ভব হয় ফলন। কিন্তু সেই মৌমাছির সংখ্যাই এখন ভয়াবহভাবে কমে যাচ্ছে।এই সংকটের সরাসরি প্রভাব পড়েছে বিষ্ণুপুরের পিয়ারডোবা এলাকায় কুমড়ো চাষে। একসময় এখানকার কুমড়ো দূরদূরান্তে রপ্তানি হত। এখন পরিস্থিতি উল্টো—মহারাষ্ট্র থেকে কুমড়ো আমদানি করতে হচ্ছে স্থানীয় বাজারে।স্থানীয় রাজপুরের চাষীদের অভিযোগ, অতিরিক্ত কীটনাশকের ব্যবহারের ফলে মৌমাছিরা মারা যাচ্ছে। ফলে পরাগায়ন ঠিকমতো হচ্ছে না, গাছ থাকলেও ফল ধরছে না। এই অবস্থায় চাষের খরচ তুলতে না পেরে অনেকেই কুমড়ো চাষ প্রায় বন্ধ করে দিয়েছেন এবং বিকল্প ফসলের দিকে ঝুঁকছেন।