প্রয়াত 'শিক্ষারত্ন' মৌসম মজুমদার স্মরণে রক্তদান শিবির ও মরনোত্তর দেহদান শিবির!
নিজস্ব সংবাদদাতা : স্বনামধন্য শিক্ষক, লেখক ও গবেষক ড. মৌসম মজুমদারের প্রথম প্রয়াণ বার্ষিকী উপলক্ষে নানা সামাজিক কর্মসূচির অনুষ্ঠিত হচ্ছে তাঁর প্রতিষ্ঠিত মেদিনীপুর কুইজ কেন্দ্র সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটির উদ্যোগে ।'শিক্ষারত্ন' প্রাপক মৌসম মজুমদার গত ২৭ নভেম্বর, ২০২৪ সালে প্রয়াত হয়েছেন। চলতি বছরে উনার প্রণাম বার্ষিকী উপলক্ষে গত ২৭ নভেম্বর ও ২৮ শে নভেম্বর, মেদিনীপুর,পাঁশকুড়া ও আস্তাড়ায় নানান সামাজিক কর্মসূচির সফল রূপায়ণ করেন সংগঠনের সদস্য সদস্যাবৃন্দ। এই উপলক্ষ্যেই ৩০শে নভেম্বর রবিবার উনার স্মরণে রক্তদান কর্মসূচি ও দেহদান অঙ্গীকার কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
সকাল ১০টায় মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ব্লাড ব্যাংকে ইন হাউস রক্তদান কর্মসূচীতে ১৭ জন রক্তদাতা রক্তদান করেন। যাঁর মধ্যে কুইজ কেন্দ্রের সদস্য সদস্যা ও মৌসম মজুমদারের শুভানুধ্যায়ীরা ছিলেন। এদিনের কর্মসূচিতে সংগঠনের পক্ষ থেকে রক্তদান করেন কুইজ কেন্দ্রের সদস্য সুজন বেরা, সদস্য কৃষ্ণ প্রসাদ ঘড়া, সুভাষ জানা, মৃত্যুঞ্জয় সামন্ত, সদস্যা শবরী বসু চৌধুরী। উপস্থিত ছিলেন সুদীপ কুমার খাঁড়া, মৃন্ময়ী খাঁড়া, নরসিংহ দাস, শবরী বসু চৌধুরী, স্নেহাশিস চৌধুরী প্রমুখ।
সবাইকে অভিনন্দন জানান সভাপতি রিংকু চক্রবর্তী ও সম্পাদক সুজন বেরা।শুভানুধ্যায়ীদের মধ্যে রক্তদান করেন সেক গোলাম নবী, ঈশিতা হাজরা, চন্দনা পড়িয়া সামন্ত, প্রিয়াংকা আঢ্য, শৈবাল সুন্দর দাস সহ অন্যান্যরা।রক্তদাতাদের অভিনন্দন জানান সংগঠনের সভাপতি রিংকু চক্রবর্তী ও প্রয়াত মৌসম মজুমদারের স্ত্রী সুপর্ণা মজুমদার। বিকেল ৩ টায় মেদিনীপুর শহরের বিদ্যাসাগর বিদ্যাপীঠ (বালিকা) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দেহদান অঙ্গীকার কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।
দেহদানের অঙ্গীকার করেন মৌসম মজুমদারের স্ত্রী শিক্ষিকা সুপর্ণা মজুমদার সহ কুইজ কেন্দ্রের সদস্য সদস্যা সস্ত্রীক অতনু দাস মহাপাত্র,সুতপা বসু, সুভাষ জানা, মৃত্যুঞ্জয় সামন্ত,অরুণাংশু শেখর পড়িয়া, সৌনক সাহু, অন্তরা বসু জানা, সূর্যশিখা ঘোষ, অরিন্দম দাস, পায়েল পাল প্রমুখ।শুভানুধ্যায়ীদের মধ্যে দেহদানের অঙ্গীকার করেন দম্পতি মিলন আঢ্য ও প্রিয়াঙ্কা আঢ্য, শিক্ষিকা রুমা দাঁ, চিকিৎসক ডাঃ শম্পা দাস , দম্পতি শ্যাম মারিক ও রুষা ধর মারিক সহ মোট ২৭ জন। দেহদানের প্রয়োজনীতা ও গুরুত্ব নিয়ে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সম্পাদক সুজন বেরা।