গড়বেতায় যুব সাথী শিবিরে জনস্রোত! প্রশাসন-যুব-ছাত্র ঐক্যে মানুষের ফর্ম ফিলাপ সম্পন্ন; উপস্থিত জেলা পরিষদ সদস্যা অঞ্জনা মাহাতো!
অভিজিৎ সাহা: মানুষের সুবিধার্থে এবং সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দিতে গড়বেতা ৩ নম্বর ব্লক বিডিও অফিসে আজ ‘যুব সাথী’ প্রকল্পের বিশেষ ফর্ম ফিলাপ কর্মসূচি চতুর্থ দিনে পদার্পণ করলো । সকাল থেকেই বিডিও অফিস চত্বরে উপভোক্তাদের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। ছাত্র ও যুব কর্মীরা সংগঠিতভাবে সাধারণ মানুষের আবেদনপত্র পূরণে সহায়তা করেন, ফলে বহু আবেদনকারী সহজে ও দ্রুত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সক্ষম হন।এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের সদস্যা অঞ্জনা মাহাতো মহাশয়া। তিনি উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন,“সরকারি প্রকল্পের সুবিধা যাতে প্রকৃত উপভোক্তাদের কাছে পৌঁছে যায়, সে দায়িত্ব আমাদের সবার।
যুব সমাজ আজ যেভাবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। প্রশাসন ও জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধন গড়ে তুলতে এই ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।”ছাত্র প্রতিনিধিরূপে উপস্থিত ছিলেন চন্দন রায়। পাশাপাশি ‘ডিজিটাল যোদ্ধা’দের পক্ষ থেকেও সক্রিয় সহযোগিতা করা হয় বলে জানা যায়।ব্লকের যুব সহ সভাপতি শান্তু খান নিজে উপস্থিত থেকে সার্বিক ব্যবস্থাপনা তদারকি করেন। ছাত্র ও যুব কর্মীরা নিষ্ঠার সঙ্গে সাধারণ মানুষের ফর্ম পূরণে সহায়তা করেন, ফলে বহু উপভোক্তা স্বল্প সময়ে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সক্ষম হন।
ডিজিটাল যোদ্ধাদের পক্ষ থেকেও স্বেচ্ছাসেবীরা অনলাইন প্রক্রিয়ায় আবেদনকারীদের সহায়তা করেন। প্রযুক্তিগত সমস্যার সমাধান করে দ্রুত পরিষেবা নিশ্চিত করা হয়।এদিন বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নেন সম্মানীয় বিডিও মহাশয়। তিনি আন্তরিকতার সঙ্গে গোটা কর্মসূচি পর্যবেক্ষণ ও সহযোগিতা করেন। সাধারণ মানুষের সমস্যা সমাধানে প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা কর্মসূচিকে আরও গতি দেয়।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ৬ নম্বর শংকরকটা অঞ্চলের প্রধান জ্ঞানাঞ্জন মন্ডল। তিনি বলেন,“গ্রামের মানুষকে সচেতন ও সহায়তা করা আমাদের দায়িত্ব। আজকের উদ্যোগ সেই দায়িত্ব পালনের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ।”