টাইব্রেকারে দিল্লিকে হারিয়ে "ডুরান্ড" ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল!

নিজস্ব সংবাদদাতা: ডুরান্ড কাপে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করল ইস্টবেঙ্গল। এসসি দিল্লিকে টাইব্রেকারে হারিয়ে শেষ চারে জায়গা করে নিয়েছে লাল-হলুদ। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে কোনও দলই গোল করতে না পারায় ম্যাচের ভাগ্য গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানে নিখুঁত পাঁচটি শটে জয় নিশ্চিত করে ইস্টবেঙ্গল।ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলছিল ইস্টবেঙ্গল। এডমুন্ড, জেসিন ও রশিদের পায়ে একের পর এক আক্রমণ তৈরি হচ্ছিল। ১৬ মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে রশিদের দুরন্ত শট বারে লেগে ফিরে আসে। মাত্র তিন মিনিট পর জেসিনের শটও একই ভাবে বারে ধাক্কা খায়। ফলে শুরুতেই দু’বার গোলের সুযোগ হাতছাড়া করে লাল-হলুদ।

তবে ম্যাচের সবচেয়ে সহজ সুযোগ পেয়েছিল এসসি দিল্লি। ৩৩ মিনিটে বক্সের মধ্যে রদ্রিগুইনহোকে ফাউল করায় পেনাল্টি পায় দিল্লি। কিন্তু সেই পেনাল্টি থেকেই গোল করতে ব্যর্থ হন রদ্রিগুইনহো। তাঁর দুর্বল বাঁ-পায়ের শট সহজেই আটকে দেন ইস্টবেঙ্গলের গোলরক্ষক প্রভসুখন গিল। ফলে বড় বিপদ থেকে বেঁচে যায় লাল-হলুদ।দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে ম্যাচ। গোলের সন্ধানে লালচুংনুঙ্গা, ডেভিড ও ইকনমিডিসকে মাঠে নামান কোচ আন্তোনিয়ো লোপেজ় হাবাস। ৭৪ মিনিটে আবারও দুর্ভাগ্যের শিকার হন রশিদ। তাঁর জোরালো শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে।শেষ পর্যন্ত ৯০ মিনিটেও গোলের দেখা মেলেনি।

ডুরান্ড কাপে অতিরিক্ত সময় না থাকায় সরাসরি টাইব্রেকারে ম্যাচের নিষ্পত্তি হয়। সেখানেই দিল্লির হয়ে প্রথম শট নিতে এসে পেনা বল বাইরে মারেন। সেই ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে ম্যাচের বাকি শটগুলি ঠান্ডা মাথায় জালে জড়িয়ে দেয় ইস্টবেঙ্গল।লাল-হলুদের হয়ে টাইব্রেকারে গোল করেন আনোয়ার আলি, রোহিত দানু, লালচুংনুঙ্গা, ইকনমিডিস এবং রশিদ। ম্যাচে দু’বার বার ও পোস্ট রশিদের গোল আটকে দিলেও টাইব্রেকারে তাঁর শটই শেষ পর্যন্ত ইস্টবেঙ্গলকে ফাইনালে পৌঁছে দেয়।ইস্টবেঙ্গলের কোচ হিসাবে প্রথম মরসুমের শুরুতেই ট্রফির হাতছানি হাবাসের সামনে। ডুরান্ড কাপের ফাইনালে লাল-হলুদের প্রতিপক্ষ হবে মোহনবাগান বনাম নর্থইস্ট ইউনাইটেড ম্যাচের জয়ী দল।