মেধাবী অথচ আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়ুয়াদের পাশে চেতনা পাবলিক স্কুল, স্কলারশিপের সঙ্গে মিলল ল্যাপটপ!

সুমন মন্ডল , ঘাটাল : মেধা থাকলেও আর্থিক সমস্যার কারণে যাতে কোনও পড়ুয়ার পড়াশোনা থমকে না যায়, সেই লক্ষ্যেই বিশেষ উদ্যোগ নিল দাসপুরের চেতনা পাবলিক স্কুল। স্কুলের চেয়ারম্যান এস এস আলমের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ঘাটাল মহকুমার মেধাবী ও আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা ছাত্রছাত্রীদের হাতে তুলে দেওয়া হল স্কলারশিপ ও ল্যাপটপ।এদিন ঘাটাল মহকুমার বিভিন্ন প্রান্তের প্রায় ২৫০ জন ছাত্রছাত্রীর হাতে স্কলারশিপ তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি, এর আগে স্কলারশিপ পাওয়া আরও ২৫০ জন পড়ুয়ার স্কলারশিপ পুনর্নবীকরণ করা হয়েছে। শিক্ষার ক্ষেত্রে পড়ুয়াদের আরও উৎসাহিত করতেই এই উদ্যোগ বলে জানানো হয়েছে।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চেতনা পাবলিক স্কুলের চেয়ারম্যান এস এস আলম, শ্যামপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক হীরণ চট্টোপাধ্যায়, ঘাটাল বিধানসভার বিধায়ক শীতল কপাট, দাসপুর বিধানসভার বিধায়ক তপন দত্ত, চন্দ্রকোনা বিধানসভার বিধায়ক সুকান্ত দোলুই, এডিআই হিমাদ্রি শেখর ঘোষ-সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি।চেতনা পাবলিক স্কুলের চেয়ারম্যান এস এস আলম জানান, ছোটবেলায় আর্থিক সমস্যার কারণে তাঁর নিজের পড়াশোনা এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকেই মেধাবী অথচ আর্থিকভাবে অসচ্ছল পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নেন তিনি।তাঁর কথায়, ঘাটাল মহকুমার কোনও মেধাবী ছাত্রছাত্রী যেন শুধুমাত্র অর্থের অভাবে উচ্চশিক্ষা থেকে পিছিয়ে না পড়ে, সেটাই এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।এস এস আলম বলেন, “ঘাটাল মহকুমার মেধাবী ও দুস্থ ছাত্রছাত্রীরা যাতে জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে এবং দেশের শীর্ষস্থানে পৌঁছতে পারে, তাদের উৎসাহ ও প্রেরণা দেওয়াই আমার লক্ষ্য। শুধু আজ ২৫০ জনকে স্কলারশিপ দেওয়া নয়, আরও ২৫০ জন পুরনো পড়ুয়ার স্কলারশিপও রিনিউ করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়াতে যা প্রয়োজন, সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করব।”চেতনা পাবলিক স্কুলের এই উদ্যোগে পড়ুয়া ও অভিভাবকদের মধ্যেও উৎসাহ দেখা যায়। স্কলারশিপ ও শিক্ষার উপকরণ পেয়ে নতুন করে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা পেয়েছে মেধাবী ছাত্রছাত্রীরা।