দুই কর্মীর মৃত্যুর পর পরিবারের পাশে উত্তম সরকার,আজীবন দায়িত্বের অঙ্গীকার

প্রেমচাঁদ ফৌজদার: দুই পরিবারের উপার্জনক্ষম সদস্যের অকাল মৃত্যু। বাড়িতে স্ত্রী, ছোট ছোট সন্তান এবং বৃদ্ধ বাবা-মা। এমন পরিস্থিতিতে অসহায় হয়ে পড়া দুটি পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নিলেন ইন্দাস মণ্ডল-১-এর সভাপতি উত্তম সরকার।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত দুই বিজেপি কর্মীর নাম জগন্নাথ বাগদীতপন ঘোষ। দু’জনেরই বয়স আনুমানিক ৩২-৩৩ বছর। জগন্নাথের বাড়ি সোমসার গ্রামে এবং তপনের বাড়ি খোসবাগ অঞ্চলের কুমরুল গ্রামে। দু’জনেরই স্ত্রী ও তিনটি করে সন্তান রয়েছে। পাশাপাশি তাঁদের বাবা-মাও রয়েছেন।পরিবারের সদস্যদের দাবি, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে দু’জনেই বিজেপির হয়ে প্রচারে সক্রিয় ছিলেন। অভিযোগ, এক রাতে প্রচার শেষে বাড়ি ফেরার পথে তাঁদের মৃত্যু হয়। প্রথমে ঘটনাটি গাড়ি দুর্ঘটনা হিসেবে পুলিশকে জানানো হলেও পরিবারের পক্ষ থেকে পরবর্তীতে তাঁদের মৃত্যুর পিছনে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তোলা হয়েছে। তাঁদের দাবি, দুর্ঘটনা নয়, পরিকল্পিতভাবে তাঁদের হত্যা করা হয়েছিল। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা তদন্তের বিষয়।এই পরিস্থিতিতে দুই পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন উত্তম সরকার। তিনি জানান, দুই কর্মীর মরদেহ নিয়ে তাঁদের বাড়িতে যাওয়ার সময়ই পরিবারের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। সেই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী তাঁদের সংসারের দায়িত্ব নেওয়ার উদ্যোগ করা হয়েছে।উত্তম সরকার আরও জানান, পরিবারের কোনও সদস্যকে চাকরির ব্যবস্থা করে দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা চলছে। চাকরি পেয়ে পরিবারের কেউ স্বনির্ভর হয়ে উঠলে ভবিষ্যতে তাঁদের আর্থিকভাবে নির্ভরশীল থাকতে হবে না।দুই পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর এই উদ্যোগকে ঘিরে এলাকায় রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।