‘ইনজেকশন দেওয়া’ তরমুজে বাজার সয়লাব! আপনি যা খাচ্ছেন তা কি নিরাপদ? ঘরেই করুন সহজ পরীক্ষা

নিজস্ব সংবাদদাতা : গরম পড়তেই বাজারে তরমুজের চাহিদা তুঙ্গে। কিন্তু এই চাহিদার সুযোগ নিয়েই বেড়ে চলেছে এক ভয়ংকর প্রতারণা। দ্রুত পাকানো এবং ভিতরে টকটকে লাল দেখানোর জন্য তরমুজে ব্যবহার করা হচ্ছে ক্ষতিকর রাসায়নিক ইনজেকশন—যা স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের কৃত্রিম রং (যেমন ইরিথ্রোসিন) শরীরে প্রবেশ করলে তা লিভার, কিডনি এমনকি হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে। তাই শুধু দেখে বা শুনে নয়, নিজেকেই হতে হবে সচেতন ক্রেতা। টিস্যু টেস্ট (সবচেয়ে সহজ উপায়) এক টুকরো তরমুজ কেটে তার লাল অংশে সাদা টিস্যু চেপে ধরুন।
যদি টিস্যু লাল বা কমলা হয়ে যায়, তাহলে সতর্ক হন। প্রাকৃতিক তরমুজে এমন রং ছড়ায় না, শুধু হালকা জলীয় দাগ থাকে।জলে ফেলে পরীক্ষা করুন তরমুজের একটি ছোট টুকরো এক গ্লাস জলে ফেলে ৫–১০ মিনিট অপেক্ষা করুন। জল লাল হয়ে গেলে বুঝবেন রং মেশানো হয়েছে। প্রাকৃতিক তরমুজে জল স্বচ্ছই থাকে। তরমুজের গায়ে বড় হলুদ ছোপ থাকলে সেটি স্বাভাবিকভাবে পাকা। পুরো সবুজ ও চকচকে হলে সন্দেহ থাকতে পারে। ভিতরে টকটকে লাল কিন্তু বীজ সাদা? সাবধান! প্রাকৃতিক তরমুজে বীজ কালো বা গাঢ় খয়েরি হয়। খোসায় ছোট ছিদ্র বা নির্দিষ্ট জায়গায় অতিরিক্ত নরম লাগলে কিনবেন না। অনেক সময় এই ছিদ্র দিয়েই সিরিঞ্জ ঢোকানো হয়। গরমে তরমুজ খান, কিন্তু চোখ খুলে কিনুন—কারণ সতর্কতার কোনও বিকল্প নেই।