বাজারদর নিয়ন্ত্রণে ঝাড়গ্রাম মহকুমার গোপীবল্লভপুরে প্রশাসনের নজরদারি, দোকানে দোকানে পণ্যের দাম খতিয়ে দেখল পুলিশ-প্রশাসন!

নিজস্ব সংবাদদাতা : নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর বাজারদর নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে যাতে কোনও বিভ্রান্তি তৈরি না হয় এবং অতিরিক্ত দামের বোঝা চাপিয়ে দেওয়া না হয়, তা নিশ্চিত করতে তৎপর প্রশাসন। বাজারে পণ্যের প্রকৃত মূল্য, ক্রয়-বিক্রয় প্রক্রিয়া এবং নির্ধারিত দামের তুলনায় অতিরিক্ত দামে সামগ্রী বিক্রি হচ্ছে কি না, তা সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে নজরদারি শুরু হয়েছে। এই উদ্দেশ্যে ঝাড়গ্রাম মহকুমারগোপীবল্লভপুর বাজারে যৌথভাবে সমীক্ষা চালায় গোপীবল্লভপুর থানার পুলিশ ও সিভিল প্রশাসন। বাজারের বিভিন্ন মুদির দোকান, সবজি বাজার-সহ একাধিক এলাকায় গিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর দাম ও বিক্রয় সংক্রান্ত বিষয় খতিয়ে দেখেন আধিকারিকরা।

এদিন দোকানদারদের কাছ থেকে বিভিন্ন পণ্যের ক্রয়মূল্য ও বিক্রয়মূল্য সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়। পাইকারি বাজার থেকে কোনও পণ্য কত দামে কেনা হচ্ছে এবং তা ক্রেতাদের কাছে কত দামে বিক্রি করা হচ্ছে, সেই হিসাবও জানতে চান প্রশাসনের আধিকারিকরা। পাশাপাশি, কোনও দোকানে অস্বাভাবিক বা অতিরিক্ত দামে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী বিক্রি করা হচ্ছে কি না, সেদিকেও নজর রাখা হয়।দোকানগুলিতে পণ্যের মজুত, বাজারদরের ওঠানামা এবং ক্রয়মূল্যের সঙ্গে বিক্রয়মূল্যের সামঞ্জস্যও খতিয়ে দেখা হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাধারণ মানুষ যাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী সঠিক ও যুক্তিসঙ্গত দামে কিনতে পারেন এবং বাজারে কোনও ধরনের অনিয়ম না ঘটে, তা নিশ্চিত করতেই এই নজরদারি ও সমীক্ষা।অভিযানে উপস্থিত ছিলেন গোপীবল্লভপুরের এসডিপিও পারভেজ সারফরাজ, গোপীবল্লভপুর-১ ব্লকের বিডিও প্রসূন কুমার প্রামাণিক, ফুড অ্যান্ড সাপ্লাইজ দফতরের ইন্সপেক্টর, গোপীবল্লভপুর থানার সাব-ইন্সপেক্টর অবনী কুমার দাস-সহ অন্যান্য পুলিশ আধিকারিক ও কর্মীরা।প্রশাসনের এই যৌথ নজরদারির ফলে বাজারে অতিরিক্ত দামে পণ্য বিক্রি এবং মজুতদারির মতো অনিয়মের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা গেল বলেই মনে করছেন সাধারণ মানুষ।