ঝাড়গ্রাম জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে টাকা ফেরৎ দিলো ইন্সুরেন্স কতৃপক্ষ!
নিজস্ব সংবাদদাতা : এক বুঝিয়ে বেসরকারি কোম্পানির ইন্সুরেন্স পলিসি বিক্রি করেছিলো বীমা এজেন্ট ,পলিসি হোল্ডার বন্ড হাতে পাওয়ার পর জানতে পারেন আরএক অন্য পলিসি করা হয়েছে । এমনি ঘটনা ঘটেছে ঝাড়গ্রাম জেলা বেলিয়াবেড়া থানার পিঠাপুরা গ্রামের গৃহবধূ রীতা মাইতির সাথে ।বেসরকারি লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানির এজেন্ট পলিসি হোল্ডার কে জানিয়েছিল প্রিমিয়াম ১০ বছর দিতে হবে এবং ইন্সুরেন্স মেচুরিটির পরেও আজীবন থাকবে কিন্তু পলিসি হোল্ডার বন্ড হাতে পেয়ে অন্য পলিসি দেখে তৎক্ষণাৎ যোগাযোগ করেন এজেন্টের সাথে কিন্তু এজেন্ট রীতা কে পাত্তা দেন না। এজেন্টর সাথে যোগাযোগ করতে না পারায় রীতা পলিসি বন্ড হাতে পাওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যেই যোগাযোগ করেন স্থানীয় ঝাড়গ্রাম শাখা অফিসের সাথে । রীতা ওই শাখাতে গিয়ে অভিযোগ জানান এবং পলিসি বন্ধ করে জমা করা সম্পূর্ণ টাকা ফেরৎ পাওয়ার জন্য সমস্ত নথি জমা করেন । নথি জমা করা সত্ত্বেও এবং বহুবার শাখায় যাওয়া সত্ত্বেও সুরাহা পাচ্ছিলেন না বলে অভিযোগ করেন রীতা । অবশেষে বেলিয়াবেড়া থানার 'অধিকার মিত্র' রীতা দাস দত্ত এর সাথে যোগাযোগ করেন অভিযোগকারী । অধিকার মিত্রের মাধ্যমে ঝাড়গ্রাম জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষের সচিব তথা বিচারক সুক্তি সরকারের কাছে লিখিত আবেদন জানান রীতা । রীতার আবেদনের ভিত্তিতে রুজু হয় প্রী লিটিগেশান মামলা । তলব করা হয় শাখা প্রবন্ধক কে নির্দেশ দেওয়া হয় টাকা ফেরৎ দেওয়ার । চতুর্থ শুনানির আগেই জমা দেওয়া প্রিমিয়ামের সম্পূর্ণ ২৬০৬২/- টাকা একাউন্টের মাধ্যমে ফেরৎ পান রীতা । বুধবার মামলার নিস্পত্তি করেন বিচারক । রীতা আমাদেরকে জানান বাজাজ এলাইঞ্জ লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানির পলিসি করার আগে বহুবার এজেন্ট আমার কাছে এসেছেন কিন্তু সমস্যায় পড়ার পর এজেন্ট এবং শাখা অফিসের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করেও সমস্যার সমাধান হয়নি , বিচারকের জন্যই আমি আমার প্রাপ্য টাকা পেলাম । আমার একবছরের সমস্যা দুই মাসের মধ্যেই বিনামূল্যে সমাধান হলো।