জঙ্গলমহলের মহিলা ফুটবলে নতুন বার্তা, সাফল্যের সঙ্গে শেষ 'কন্যাবালী কাপ' ২০২৬

অভিজিৎ সাহা: মহিলা ফুটবলের প্রসার ও প্রত্যন্ত এলাকার প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের সুযোগ করে দিতে আয়োজিত ‘কন্যাবালী কাপ ২০২৬’-এর সমাপ্তি হলো জমজমাট ফাইনালের মধ্য দিয়ে। কন্যাবালী প্রগতি সংঘের উদ্যোগে আয়োজিত ফাইনালে মুখোমুখি হয় পুরুলিয়ার পুঞ্চার পাকবিররা ভৈরব ক্লাবমেদিনীপুর তরুণ সংঘ ব্যায়ামাগার। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াই শেষে চ্যাম্পিয়ন হয় পাকবিররা ভৈরব ক্লাব, রানার্স-আপ মেদিনীপুর তরুণ সংঘ।মহিলা ফুটবলারদের উৎসাহিত করা এবং তাঁদের প্রতিভা বিকাশের লক্ষ্যে শুরু থেকেই এই প্রতিযোগিতার সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন শালবনি বিধানসভার বিধায়ক বিমান মাহাতো

আয়োজকদের পক্ষ থেকে সুন্দর এই প্রতিযোগিতা আয়োজন এবং মহিলা ফুটবলের পাশে থাকার জন্য বিধায়ককে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।বিধায়ক বিমান মাহাতো বলেন, জঙ্গলমহলের মেয়েদের মধ্যে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ ও প্রতিভার কোনও অভাব নেই। কিন্তু সুযোগ ও উপযুক্ত মঞ্চের অভাবে বহু প্রতিভাই সামনে আসতে পারে না। ‘কন্যাবালী কাপ’-এর মতো প্রতিযোগিতা সেই সুযোগ তৈরি করছে। আগামী দিনেও মহিলা ফুটবলারদের উৎসাহিত করতে এই ধরনের উদ্যোগ আরও বড় পরিসরে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন রয়েছে বলে তিনি জানান।

সমাপ্তি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিযোগিতার আয়োজক গৌতম কৌড়ী। সমাজসেবী তুফান মাহাতো, ঝাড়গ্রামের বিধায়ক লক্ষীকান্ত সাউ, গড়বেতার বিধায়ক প্রদীপ লোধা, তালডাংরার বিধায়ক সৌভিক পাত্র,উপস্থিত ছিলেন শালবনি ও তালডাংরা থানার আইসি-সহ বিশিষ্টজনেরা।কন্যাবালী প্রগতি সংঘের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দর্শক, অতিথি, টিম কর্মকর্তা এবং খেলোয়াড়দের আন্তরিক সহযোগিতা ও অংশগ্রহণেই ‘কন্যাবালী কাপ ২০২৬’ সফল হয়েছে। সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন সংগঠনের সদস্যরা।আয়োজকদের দাবি, মহিলা ফুটবলারদের উৎসাহিত করতে আগামী দিনেও আরও বড় পরিসরে এই ধরনের প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হবে।