খড়গপুরে গান্ধী জয়ন্তী উদযাপন, সম্মানিত শহরের বর্ষীয়ান কৃতীজনেরা!

অরিন্দম চক্রবর্তী: খড়গপুর গান্ধী জয়ন্তী উদযাপন সমিতির উদ্যোগে ২ অক্টোবর ২০২৬, মালঞ্চের প্রেমহরি ভবন (২) প্রাঙ্গণে সাড়ম্বরে পালিত হল মহাত্মা গান্ধীর জন্মজয়ন্তী। জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে মাল্যদানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর সৌমেন চক্রবর্তীর পরিচালনায় ‘গীতালি’র শিল্পীরা ‘যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে’ গানটি পরিবেশন করেন।অনুষ্ঠানে খড়গপুর শহরের বিভিন্ন প্রান্তের একাধিক বর্ষীয়ান ও কৃতী মানুষকে মঞ্চে সংবর্ধনা জানানো হয়। তাঁদের মধ্যে ছিলেন মিন্টু চৌধুরী,অমল দাশগুপ্ত, অশোক সেন, অরুণ চ্যাটার্জী, রতনলাল শর্মা, ডি. রামচন্দ্র, ভুবনেশ্বর পাণ্ডে ও সুনীল দাস।

অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা অধ্যাপক সোমনাথ রায় গান্ধীজির জীবন, দর্শন ও ভাবনা নিয়ে বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, সারা ভারতকে একসূত্রে গেঁথে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল গান্ধীজির। তিনি শ্রীমদ্ভগবদ্গীতাকে ‘মা’ বলে মানতেন এবং গীতার নির্দেশ অনুসারেই নিজের কর্মজীবন পরিচালনা করতেন বলে অধ্যাপক রায় উল্লেখ করেন।১৫৭তম গান্ধী জয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উদযাপন সমিতির পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন প্রধান পৃষ্ঠপোষক অমর চট্টোপাধ্যায়, সভাপতি ত্রিপতি ব্যানার্জি, সহ-সভাপতি সুবীর মুখার্জী ও উদয় শঙ্কর দাস, সমীর দাস এবং যুগ্ম সম্পাদক অমিত শর্মা ও সুখময় প্রধান। এছাড়াও খড়গপুর শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলররা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।গান্ধীজির আদর্শ, স্মৃতি ও সমাজজীবনে তাঁর অবদানের কথা স্মরণ করার পাশাপাশি শহরের বর্ষীয়ান কৃতী মানুষদের সম্মান জানানোর মধ্য দিয়ে এদিনের অনুষ্ঠান বিশেষ তাৎপর্য লাভ করে।