মেদিনীপুর জেলার খড়গপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসার গাফিলতিতে ভাঙচুর ও বিক্ষোভ!
অরিন্দম চক্রবর্তী: খড়গপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে উত্তেজনা, ওয়ার্ড মাস্টারের দফতরে ভাঙচুর। খড়গপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসায় কথিত গাফিলতির অভিযোগ ঘিরে ৮ই ফেব্রুয়ারি রবিবার তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। ক্ষুব্ধ রোগীর পরিজনেরা হাসপাতাল চত্বরে থাকা ওয়ার্ড মাস্টারের দফতরের জানালার কাঁচ ভেঙে ভাঙচুর চালান। ঘটনায় কিছু সময়ের জন্য হাসপাতালে আতঙ্ক ও বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়ে। জানা গেছে, পায়েল রায় নামে এক মহিলাকে ২৬ জানুয়ারি খড়গপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ২৭ জানুয়ারি তাঁর সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার হয় এবং তিনি একটি শিশুর জন্ম দেন।
অভিযোগ, অস্ত্রোপচারের পর সেলাই ঠিকমতো না হওয়ায় তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। পরিজনদের দাবি, চিকিৎসায় দেরি হওয়া সত্ত্বেও তাঁদের পরিষ্কারভাবে কিছু জানানো হয়নি। দীর্ঘ সময় চিকিৎসা হস্তক্ষেপ না হওয়ায় ক্ষোভ বাড়তে থাকে এবং তারই জেরে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।এই প্রসঙ্গে হাসপাতালের সুপারিন্টেনডেন্ট গৌতম মাইতি জানান, রোগীর বর্তমান শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে পুনরায় সেলাই (রি-স্টিচিং) করতে আরও দু’দিন সময় লাগবে। তিনি বলেন, ডিউটিতে থাকা চিকিৎসকেরা রোগীপক্ষকে পরিস্থিতি স্পষ্টভাবে বোঝাতে না পারায় ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয় এবং উত্তেজনা বাড়ে। ঘটনার পর কিছু সময় হাসপাতাল চত্বরে উত্তেজনা থাকলেও বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। রোগীর পরিজনেরা সঠিক চিকিৎসা এবং দায়িত্ব নির্ধারণের দাবি তুলেছেন।