মেদিনীপুরের প্রার্থনা সভায় ‘বন্দে মাতরম’ ও ‘জনগণমন’, দেশাত্মবোধে মুখর স্কুল চত্বর!

সেখ ওয়ারেশ আলী : দীর্ঘ গরমের ছুটির পর সোমবার থেকে ফের খুলে গেল রাজ্যের স্কুলগুলি। ছুটির পর প্রথম দিনেই স্কুল প্রাঙ্গণে নজর কাড়ল দেশাত্মবোধের আবহ। রাজ্য সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী, এদিন থেকে বিদ্যালয়ের প্রার্থনা সঙ্গীতে বাধ্যতামূলকভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে ‘বন্দে মাতরম’। ফলে দীর্ঘ বিরতির পর স্কুলে ফিরে পড়ুয়াদের সঙ্গে সমবেত কণ্ঠে এই দেশাত্মবোধক গান গেয়ে দিনের সূচনা করলেন শিক্ষক-শিক্ষিকারাও।মেদিনীপুরের নির্মল হৃদয় আশ্রম চার্চ স্কুল এবং বিদ্যাসাগর বিদ্যাপীঠ (বালক বিভাগ)-সহ জেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ে এদিন প্রার্থনা সঙ্গীত হিসেবে ‘বন্দে মাতরম’ পরিবেশন করা হয়। শিক্ষা দফতরের নির্দেশ অনুযায়ী গানটি সম্পূর্ণরূপে গাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, সম্পূর্ণ ‘বন্দে মাতরম’ গাইতে সময় লাগে প্রায় ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ড। এর সঙ্গে জাতীয় সঙ্গীত ‘জনগণমন’ পরিবেশন করতে লাগে আরও ৫২ সেকেন্ড। ফলে শুধুমাত্র এই দুই গান গাইতেই প্রায় ৪ মিনিট সময় ব্যয় হচ্ছে। অনেক বিদ্যালয়ে আবার নিজস্ব প্রার্থনা সঙ্গীতও রয়েছে। সব মিলিয়ে সকালের প্রার্থনা পর্বের সময়সীমা ১০ মিনিটেরও বেশি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।স্কুল সূত্রে খবর, গরমের ছুটির সময় থেকেই পড়ুয়াদের ‘বন্দে মাতরম’ শেখার জন্য উৎসাহিত করা হয়েছিল। তবে নতুন নিয়ম কার্যকর হওয়ার প্রথম দিনে অনেক ছাত্রছাত্রীর এখনও পুরো গান মুখস্থ না থাকায় শিক্ষকরা তাদের সহযোগিতা করেন।নতুন শিক্ষাবর্ষের এই সূচনায় বিদ্যালয়গুলিতে দেশপ্রেম, জাতীয় চেতনা এবং শৃঙ্খলার বার্তা আরও জোরালোভাবে তুলে ধরার চেষ্টা দেখা গেল বলে মনে করছেন শিক্ষামহলের একাংশ।