ডুরান্ড কাপে-আব্দুল সামাদের গোলে মরসুমের প্রথম ডার্বি জয় মোহনবাগানের!
নিজস্ব সংবাদদাতা : বিশ্বকাপের উত্তেজনা কাটতে না কাটতেই কলকাতার নজর ফের ময়দানের ফুটবলে। মরসুমের প্রথম কলকাতা ডার্বি ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই ছিল তুমুল উন্মাদনা। মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গলের ম্যাচকে দুই দলের প্রস্তুতি ও শক্তি যাচাইয়ের বড় মঞ্চ হিসেবে দেখা হচ্ছিল। কিন্তু ৯০ মিনিটের ম্যাচ শেষে ফুটবলের মান নিয়ে উঠল বড় প্রশ্ন। আরও এক বার স্পষ্ট হল ভারতীয় ফুটবলের পরিকল্পনাহীনতা ও দিশাহীনতার ছবি।মরসুমের শুরুতেই কার্যত নতুন দল নিয়ে মাঠে নেমেছিল ইস্টবেঙ্গল। আগের মরসুমের অধিকাংশ ফুটবলারকে ধরে রাখতে পারেনি লাল-হলুদ শিবির। দলের দায়িত্বে রয়েছেন ভারতীয় ফুটবলে পরিচিত কোচ আন্তোনিয়ো হাবাস। তবে নতুন ফুটবলারদের নিয়ে অনুশীলনের জন্য হাতে পেয়েছেন মাত্র কয়েক দিন। তুলনায় মোহনবাগানের পরিস্থিতি কিছুটা ভাল। আগের মরসুমের অধিকাংশ ফুটবলারকে ধরে রাখতে পেরেছে সবুজ-মেরুন শিবির। ফলে দলের খেলায় কিছুটা বোঝাপড়ার ছাপ দেখা গিয়েছে।
যদিও মোহনবাগানের কোচ পানাজিয়োটিস দিমপেরিসেরও কলকাতায় এটি প্রথম মরসুম এবং তিনিও পর্যাপ্ত প্রস্তুতির সুযোগ পাননি।ম্যাচের ৫২ মিনিটে আব্দুল সামাদের গোলে জয় নিশ্চিত করে মোহনবাগান। ইস্টবেঙ্গলের মাঝমাঠে ভুল পাস থেকে আক্রমণ তৈরি করে সবুজ-মেরুন। মনবীর সিংহের ক্রস থেকে ফাঁকায় বল পেয়ে কোনও ভুল করেননি সামাদ। তাঁর শটে পরাস্ত হন ইস্টবেঙ্গলের গোলরক্ষক প্রভসুখন সিংহ গিল।প্রথমার্ধে মোহনবাগান কয়েকটি গোলের সুযোগ তৈরি করলেও ইস্টবেঙ্গলকে কার্যত দিশাহীন দেখিয়েছে। দ্বিতীয়ার্ধে মহম্মদ রশিদ মাঠে নামার পর কিছুটা গতি বাড়ে লাল-হলুদ দলের খেলায়। ম্যাচের শেষ ১৫-১৬ মিনিটে গোল শোধের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে ইস্টবেঙ্গল। রশিদ নিজেও অন্তত দু’টি সুযোগ নষ্ট করেন। তবে ৯০ মিনিটের ম্যাচে মোটামুটি ২৫-৩০ মিনিট ছাড়া তেমন উত্তেজনা দেখা যায়নি। বাকি সময়ের ফুটবল অনেকটাই প্রীতি ম্যাচের মতো মনে হয়েছে।