‘মাছি মারতে হাতুড়ি’ মন্তব্য ঘিরে নতুন ট্রেন্ড! সোশ্যাল মিডিয়ায় আত্মপ্রকাশ ‘মাখি জনতা পার্টি’
নিজস্ব সংবাদদাতা :সুপ্রিম কোর্টের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন করে চর্চায় উঠে এল ‘মাখি জনতা পার্টি’। দিল্লিতে মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা নিয়ে আদালতের পর্যবেক্ষণের পর এই নামে একটি গোষ্ঠী সোশ্যাল মিডিয়ায় আত্মপ্রকাশ করেছে বলে জানা গিয়েছে। গোষ্ঠীটির দাবি, মাত্র ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তাদের ফলোয়ারের সংখ্যা ৩ লক্ষ ৩০ হাজারে পৌঁছেছে এবং তাদের পোস্টে মোট ৪০ লক্ষ ভিউ হয়েছে।সম্প্রতি আন্দোলনের পরিস্থিতিতে দিল্লি পুলিশের তরফে একাধিক মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা হয়। বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছলে গণপরিবহন ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বন্ধ না করে জনসাধারণের যাতায়াতের সুবিধা বজায় রাখার বিষয়ে কেন্দ্র ও প্রশাসনকে নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত।এই প্রসঙ্গে আদালতের পর্যবেক্ষণ, প্রশাসন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় বিধিনিষেধ আরোপ করতে পারে। তবে তার অর্থ এই নয় যে, সবকিছু বন্ধ করে দিয়ে সাধারণ মানুষকে যাতায়াতের কোনও ব্যবস্থা ছাড়া অসহায় অবস্থায় ফেলে রাখা হবে। আদালতের মন্তব্যে উঠে আসে, “মাছি মারতে হাতুড়ি আনতে পারেন না।” অর্থাৎ, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের নামে অতিরিক্ত কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত নয়—এমনই বার্তা উঠে এসেছে পর্যবেক্ষণে।এই মন্তব্যকে ঘিরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘মাখি জনতা পার্টি’ নামে নতুন গোষ্ঠী তৈরি হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। গোষ্ঠীটির তরফে আরও জানানো হয়েছে, তারা ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছে।এর আগে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ নামে একটি গোষ্ঠী তৈরি হয়েছিল। অভিজিৎ দীপক ও সৌরভ দাস-সহ কয়েকজনের উদ্যোগে তৈরি ওই গোষ্ঠী পরবর্তীতে বিভিন্ন আন্দোলন ও নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত ইস্যুতে আলোচনায় আসে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। গোষ্ঠীটির একাধিক সদস্য বর্তমানে জেল হেফাজতে রয়েছেন বলেও দাবি করা হয়েছে।