বেলদায় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশের ‘PACE’ উদ্যোগের সূচনা, যুব কর্মসংস্থান ও জননিরাপত্তায় নতুন দিশা!

নিজস্ব সংবাদদাতা : পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বেলদায় জেলা পুলিশের উদ্যোগে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হল জনমুখী ‘PACE’ প্রকল্প। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা জোরদার করা, যুবসমাজের কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি এবং সাইবার ও নারী সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা, নারায়ণগড়ের বিধায়ক রমাপ্রসাদ গিরি, বেলদা কলেজের অধ্যক্ষ ড. চন্দ্রশেখর হাজরা, নারায়ণগড় থানার আইসি অভিজিৎ হেইত-সহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন আধিকারিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা বলেন, বর্তমান সময়ের বিভিন্ন সামাজিক ও প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ‘PACE’ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। বিশেষ করে যুবকদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি, সাইবার অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। বিধায়ক রমাপ্রসাদ গিরি বলেন, এলাকার প্রতিটি মানুষের নিরাপত্তা ও সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করাই তাঁর অন্যতম অগ্রাধিকার। তিনি জেলা পুলিশের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, জনসাধারণের কল্যাণে গৃহীত এই প্রকল্প আগামী দিনে পশ্চিম মেদিনীপুরের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।

‘PACE’ প্রকল্পের আওতায় তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবা চালু করা হয়েছে—

  • ক্যারিয়ার গাইডেন্স ও কর্মসংস্থান সহায়তা: স্থানীয় যুবক-যুবতীদের সঠিক পেশা নির্বাচনে দিকনির্দেশনা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্পর্কে সহায়তা প্রদান।
  • সাইবার হেল্প ডেস্ক: অনলাইন প্রতারণা, ডিজিটাল জালিয়াতি ও সাইবার অপরাধের শিকার সাধারণ মানুষকে দ্রুত আইনি ও কারিগরি সহায়তা প্রদান এবং সচেতনতা বৃদ্ধি।
  • নারী সহায়তা কেন্দ্র: নারী ও কিশোরীদের নিরাপত্তা, প্রয়োজনীয় আইনি পরামর্শ এবং জরুরি পরিস্থিতিতে ২৪ ঘণ্টা পুলিশি সহায়তা নিশ্চিত করা।

অনুষ্ঠানের শেষে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশের এই জনমুখী উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন উপস্থিত অতিথিরা। তাঁদের মতে, প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আরও নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তোলার পাশাপাশি নিরাপদ, সচেতন ও উন্নত সমাজ গঠনে ‘PACE’ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।