NAAC এর স্বীকৃতি তে খুশির হাওয়া কেশপুর সুকুমার সেনগুপ্ত মহাবিদ্যালয়ে!
পশ্চিম মেদিনীপুর সেখ ওয়ারেশ আলী : পশ্চিম মেদিনীপুর কেশপুর সুকুমার সেনগুপ্ত মহাবিদ্যালয় অবশেষে NAAC স্বীকৃতি পেল। ২০০৪ সাল থেকে পথচলা শুরু করেছিল পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার মেদিনীপুর সদর মহাকুমার অন্তর্গত কেশপুর সুকুমার সেনগুপ্ত মহাবিদ্যালয়। কেশপুর সুকুমার সেনগুপ্ত মহাবিদ্যালয় পড়াশোনার মান উন্নয়নের জন্য ২০২৫ স্বীকৃতি পেল। সুকুমার সেনগুপ্ত মহাবিদ্যালয় NAAC এর আধিকারিকরা এসে সবকিছু খতিয়ে দেখে যান। মাপকাঠির নিয়ম অনুযায়ী NAAC এর দ্বিতীয় বিভাগে স্থান অধিকার করে কেশপুর সুকুমার সেনগুপ্ত মহাবিদ্যালয়ের। ফলে খুশির হাওয়া গোটা মহাবিদ্যালয় জুড়ে। মহাবিদ্যালয় এর অধ্যক্ষ ডক্টর দীপক কুমার ভূঁইয়া বলেন, আমি দায়িত্বভার গ্রহণ করার সময় দেখেছিলাম এখানে অনেকেই আসতে চাইত না পড়াশোনা করতে। তবে পরবর্তী কালে একটু একটু করে কেশপুর মহাবিদ্যালয় অনেকটায় পরিকাঠামো এবং পড়াশোনার মান উন্নয়ন হয়েছে। বর্তমানে বেশ কিছু ছাত্র-ছাত্রী এখান থেকে ফাস্ট ক্লাসও পেয়েছে। আমরা ইউজিসির স্বীকৃতিও পেয়েছি বেশ কয়েক বছর আগে, সঙ্গে বর্তমানে NAAC এর দ্বিতীয় বিভাগে স্বীকৃতি পত্রও পেলাম। আগামী দিনে আমরা চাইবো প্রথম বিভাগে উন্নীত হতে। যে সমস্ত মাপকাঠি ছিল তার কিছুটা হয়তো আমাদের এখনো গড়ে তুলতে হবে। এই সাফল্যে অধ্যাপক অধ্যাপিকা দের পাশাপাশি খুশি ছাত্র-ছাত্রীরা। ফিজিওলজি বিভাগের ষষ্ঠ সেমিস্টারের ছাত্রী সোমাশ্রী হাজরা জানিয়েছে, NAAC স্বীকৃতি তে আমরা অত্যন্ত খুশি। প্রথম যখন পড়তে এসেছিলাম তখন অনেকেই বলেছিল কেশপুর কলেজ খুব একটা ভালো না। যাতায়াতের সময় অনেক খারাপ কথাও শুনতে হয়েছে কলেজ সম্বন্ধে। আমরাও চেষ্টা করেছি ভালোভাবে ল্যাব ব্যবহার থেকে পড়াশোনা করতে। অবশেষে এই স্বীকৃতি পাওয়াতে আমরা খুবই গর্বিত এবং আনন্দিত। এই খুশির ভাগীদার আমরাও হতে পেরেছি। এখানকার অধ্যাপক অধ্যাপিকারাও আমাদেরকে খুব যত্ন সহকারে পড়াশোনা করান। আগামী দিনে আমরা যাতে আরো ভালোভাবে পড়াশোনা করে মহাবিদ্যালয় এর মান উন্নয়ন করতে পারি সেদিকেই অগ্রসর হবো ।