বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ে মর্যাদার সঙ্গে পালিত হুল দিবস, সিধু-কানু ও বীরসা মুন্ডাকে শ্রদ্ধার্ঘ্য!
নিজস্ব সংবাদদাতা : বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হল হুল দিবস। সিধু-কানু ও বীরসা মুন্ডাকে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদনের পাশাপাশি অনুষ্ঠিত হয় ‘সাঁওতালি সাহিত্য ও সাঁওতাল বিদ্রোহ’ বিষয়ক আলোচনা সভা।বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর আদিবাসী স্টাডিজ অ্যান্ড মিউজিয়াম-এর উদ্যোগে এবং সাঁওতালি বিভাগের সহযোগিতায় দিনব্যাপী এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের সূচনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অবস্থিত বীর শহীদ সিধু মুর্মু, কানু মুর্মু এবং বীরসা মুন্ডা-র মূর্তিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক দীপক কুমার কর, কেশিয়াড়ি বিধানসভার বিধায়ক ভদ্র হেমরম, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিবন্ধক ড. জয়ন্ত কিশোর নন্দী-সহ অন্যান্য আধিকারিক, অধ্যাপক, গবেষক এবং ছাত্রছাত্রীরা।
এদিনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ‘সাঁওতালি সাহিত্য ও সাঁওতাল বিদ্রোহ’ শীর্ষক আলোচনা সভা। আলোচনায় বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাঁকুড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. অঞ্জন কর্মকার, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের তনুশ্রী সিং, ড. শ্রীমন্ত মণ্ডল এবং পলাশ বিশ্বাস। তাঁরা সাঁওতাল বিদ্রোহের ঐতিহাসিক গুরুত্ব, আদিবাসী সমাজের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সাঁওতালি সাহিত্যের বিকাশ নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন।আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক সেবক কুমার জানা।
অনুষ্ঠানের সূচনায় স্বাগত ভাষণ দেন সেন্টার ফর আদিবাসী স্টাডিজ অ্যান্ড মিউজিয়ামের ডিরেক্টর অধ্যাপক সুমহান বন্দ্যোপাধ্যায়। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাঁওতালি বিভাগের প্রধান ড. ক্ষুদিরাম টুডু।হুল দিবসের এই আয়োজনের মাধ্যমে সাঁওতাল বিদ্রোহের আত্মত্যাগ, সংগ্রাম এবং আদিবাসী সমাজের ইতিহাসকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরার পাশাপাশি তাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও চর্চার গুরুত্বও তুলে ধরা হয়।