খড়্গপুর শহরে পিঠাপুলি উৎসব!

অরিন্দম চক্রবর্তী : খড়্গপুর শহরের মালঞ্চ আদিপুজো কমিটি হল প্রাঙ্গনে ১৮ই জানুয়ারি রবিবার পিঠাপুলি উৎসবের উদ্বোধন হলো। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেদিনীপুরের বিধায়ক সুজয় হাজরা। তিনি বলেন-"পৌষ সংক্রান্তি মানেই পিঠে খাওয়ার দিন। আগে আমরা ৭ দিন আগে থেকেই পিঠে খাওয়ার শুরু করে দিতাম।

এখন মেয়েদের লক্ষ্য দোকানের দিকে। সেখান থেকে কিনে রচনা তৃপ্তি করে। তবে এখনো অনেক বাড়িতে পিঠে বানানোর চল রয়েছে। বাংলার এটা একটা ঐতিহ্য।"মহকুমা পুলিশ আধিকারিক ধীরাজ ঠাকুর বলেন-"সুস্বাদু খাদ্য অতিথি কে প্রথমে দিলে সে খুব খুশি হয়। আপনারা যারা এই পিঠে বানিয়ে এনেছেন সেটা খুবই লোভনীয় জিনিস। শুধু লক্ষ্য রাখতে হবে খাদ্য সামগ্রী যেন স্বাস্থ্যসম্মত হয়।"প্রাক্তন পৌরসভার চেয়ারম্যান জহর পাল বলেন-"শীত মানেই উৎসব। বাঙ্গালীদের ১২ মাসে ১৩ পার্বণের মধ্যে শীতের পিঠে পায়েস পৌষ সংক্রান্তির অনেক আগে থেকেই চলে আসছে।"

প্রাক্তন এম এল এ তথা খড়্গপুর -মেদিনীপুর উন্নয়ন পর্ষদের ভাইস চেয়ারম্যান প্রদীপ সরকার বলেন-"হই হই করে আমরা একসাথে মিলিত হব এই মেলায়। সুন্দর সুন্দর পিঠে বানিয়ে মহিলারা ক্রেতাদের হাতে তুলে দেবেন। সাথে থাকবে আন্তরিকতা।"এছাড়া মঞ্চে ছিলেন খড়গপুরের এসডিপিও ধীরাজ ঠাকুর, টাউন আই সি পার্থ সারথি পাল, কাউন্সিলর ডি বাসন্তী, রাজু গুপ্তা, ডাঃ তপন প্রধান, পাপিয়া সরকার, অসিত পাল, উৎসবের সভাপতি বিমান চ্যাটার্জি।

এবছর পিঠে পুলি উৎসবে ৩৩ টি স্টল এসেছে বলে জানালেন সম্পাদক বাপ্পা সরকার ও গৌরব মুখার্জি। এদিনের অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন শুভদীপ বসু ও চন্দ্রানী ত্রিপাঠী। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সাথে সাথে পিঠাপুলি উৎসব চলে ২০শে জানুয়ারি পর্যন্ত।