নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনের আগে বড় মোড়, শুভেন্দুর সঙ্গে সঞ্চিতা প্রধান দের সাক্ষাৎ!

নিজস্ব সংবাদদাতা : নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনকে ঘিরে ভোটের আগে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা তৈরি হয়েছে। নতুন দলীয় নাম ও প্রতীক পাওয়ার পরও তৃণমূল নেতৃত্বের অস্বস্তি বাড়ছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা। তারই মধ্যে নন্দীগ্রামে তৃণমূলের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে-র মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সাক্ষাৎ ঘিরে চর্চা তুঙ্গে।জানা গিয়েছে, শুক্রবার দুপুরে স্বামী সত্যজিৎ প্রধানকে সঙ্গে নিয়ে নবান্নে যান সঞ্চিতা প্রধান দে। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ হয়। পরে PWD-র টেন্টে গিয়েও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন তিনি বলে জানা গিয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই সাক্ষাৎ, তা নিয়ে সঞ্চিতা প্রধান দে-র পক্ষ থেকে এখনও কোনও বিস্তারিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি।আর এই সাক্ষাতের সময়কালই রাজনৈতিক মহলে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। কারণ, শনিবারই নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন। তার ঠিক আগের দিন তৃণমূল প্রার্থীর মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই নানা প্রশ্ন উঠেছে।এর আগে দলীয় নাম ও প্রতীক সংক্রান্ত নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের পর নন্দীগ্রামের উপনির্বাচন ঘিরে তৃণমূল শিবিরে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছিল। এবার প্রার্থীকে ঘিরে তৈরি হওয়া এই নতুন ঘটনাপ্রবাহ সেই জল্পনাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। তবে সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করবেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।বিষয়টি নিয়ে বিজেপি বিধায়ক দিব্যেন্দু অধিকারী অবশ্য ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তাঁর কথায়, “মুখ্যমন্ত্রীর দরজা তো সবার জন্য খোলা রয়েছে। যে কোনও কাজেই যেতে পারেন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। এটাকে অন্য ভাবে কেন দেখা হচ্ছে?”ফলে শনিবার মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে নন্দীগ্রামে কী সিদ্ধান্ত হয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের। সঞ্চিতা প্রধান দে-র সাক্ষাৎ কি শুধুই সৌজন্য সাক্ষাৎ, নাকি এর পিছনে রয়েছে অন্য কোনও রাজনৈতিক সমীকরণ—তার উত্তর মিলবে মনোনয়ন প্রত্যাহারের পরই।