যাত্রীদের সচেতনতার বার্তা, পাঁশকুড়া থেকেই ‘পিকমুক্ত’ রেলস্টেশনের লক্ষ্যে অভিনব উদ্যোগ!

নিজস্ব সংবাদদাতা : পান, গুটকা ও খৈনির পিকে নোংরা হয়ে থাকা পাঁশকুড়া রেলস্টেশনের ফুটওভারব্রিজ ও সংলগ্ন এলাকা সাফাইয়ে উদ্যোগ নিলেন ভাস্করব্রত পতি ও আলোক মাইতি। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন অধ্যাপক ড. কৌশিক পাইক।২৬ আগস্ট বুধবার মহানবী হজরত মহম্মদ (সা.)-এর জন্মদিবস এবং মাদার টেরিজার জন্মদিবস স্মরণে পাঁশকুড়া রেলস্টেশনের ফুটওভারব্রিজ ও আশপাশের এলাকা পরিষ্কারে নামেন তাঁরা।

অবিবেচক যাত্রীদের ফেলে যাওয়া পান, গুটকা ও খৈনির লালচে পিকের দাগে দীর্ঘদিন ধরে নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর হয়ে উঠেছিল স্টেশনের বিভিন্ন অংশ।সাফাই অভিযানে সার্ফ গুঁড়ো মেশানো জল এবং ব্রাশ ব্যবহার করে একের পর এক দাগ পরিষ্কার করা হয়।

উদ্যোগীদের বক্তব্য, যাত্রীদের অসচেতনতার কারণে রেলস্টেশনগুলির দেওয়াল ও ফুটওভারব্রিজে এভাবে পানের পিক, গুটকা ও খৈনির দাগ পড়ছে। শুধু প্রশাসনের উপর নির্ভর না করে সাধারণ মানুষকেও এই বিষয়ে সচেতন হতে হবে।উদ্যোক্তারা জানান, যাত্রীরা সচেতন না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের এই সাফাই অভিযান চলবে।

পাঁশকুড়া রেলস্টেশনকে পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি দেশের সমস্ত রেলস্টেশনকে যত্রতত্র পান, খৈনি ও গুটকার পিক থেকে মুক্ত করার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ বলে জানান তাঁরা।পরিচ্ছন্ন রেলস্টেশন গড়ে তুলতে যাত্রীদেরও সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন উদ্যোগীরা। তাঁদের বার্তা—স্টেশন পরিষ্কার রাখা শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয়, প্রত্যেক যাত্রীরও সমান দায়িত্ব।