ফ্রান্সের সামনে সেনেগালের চ্যালেঞ্জ, ফিরবে কি ২০০২-এর স্মৃতি?
নিজস্ব সংবাদদাতা: বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসে ফ্রান্স ও সেনেগালের মুখোমুখি লড়াই আজও স্মরণীয়। ২০০২ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে টুর্নামেন্টে অভিষেক হওয়া সেনেগাল তৎকালীন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সকে ১-০ গোলে হারিয়ে বিশ্ব ফুটবলে বড় ধরনের চমক সৃষ্টি করেছিল। সেই ম্যাচে জয়সূচক গোল করেছিলেন পাপা বুবা দিয়প।
দীর্ঘ ২৪ বছর পর আবারও দুই দলের সম্ভাব্য মুখোমুখি লড়াই ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে।শক্তির বিচারে ফ্রান্স এগিয়ে থাকলেও সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে আত্মবিশ্বাসী সেনেগাল। কোচ দিদিয়ের দেশমের নেতৃত্বে ফরাসি দলে রয়েছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে, উসমান দেম্বেলে ও মাইকেল ওলিসের মতো তারকা ফুটবলার। আক্রমণভাগের গভীরতা ও অভিজ্ঞতা ফ্রান্সকে অন্যতম শিরোপাপ্রত্যাশী দলে পরিণত করেছে।
অন্যদিকে পাপে থিয়াওয়ের সেনেগালও প্রস্তুত বড় পরীক্ষা দেওয়ার জন্য। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে অপরাজিত থাকা দলটি গত কয়েক বছরে ধারাবাহিক সাফল্যের মাধ্যমে নিজেদের শক্ত অবস্থান গড়ে তুলেছে। ইউরোপের বিভিন্ন শীর্ষ লিগে খেলা একাধিক ফুটবলার নিয়ে গড়া সেনেগাল দল যে কোনো প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলতে সক্ষম।
ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, ম্যাচটির ফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে সেনেগালের সংগঠিত রক্ষণভাগ এবং ফ্রান্সের দ্রুতগতির আক্রমণ। তবে ইতিহাস বলছে, সেনেগালকে কখনও হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। নিউ ইয়র্ক–নিউ জার্সিতে অনুষ্ঠিতব্য এই লড়াইয়ে ফ্রান্স জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে চাইলেও সেনেগালের লক্ষ্য থাকবে আরেকটি স্মরণীয় অঘটন উপহার দেওয়া। ফলে বিশ্বকাপের অন্যতম আকর্ষণীয় ম্যাচে পরিণত হতে যাচ্ছে এই দ্বৈরথ।