ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দের সামনে স্পেন,ফিট হয়েও বেঞ্চে লামিন ইয়ামাল !
নিজস্ব সংবাদদাতা : বিশ্বকাপ ২০২৬-এর অভিযান শুরু করতে চলেছে স্পেন। তবে কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচের আগে স্প্যানিশ শিবিরে সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছেন তরুণ তারকা লামিন ইয়ামাল।ম্যাচের আগে সাংবাদিক বৈঠকে স্পেন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তেস্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ইয়ামাল মাঠে নামার মতো অবস্থায় থাকলেও তাঁর ক্ষেত্রে কোনওরকম ঝুঁকি নিতে চান না তিনি। এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে পড়ার পর দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে ছিলেন। সেই কারণে বিশ্বকাপের প্রথম দু'টি ম্যাচেও তাঁর অংশগ্রহণ নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছিল। তবে গত এক সপ্তাহ ধরে নিয়মিত দলের সঙ্গে অনুশীলন করছেন ১৮ বছরের এই উইঙ্গার। চিকিৎসক দলও তাঁকে খেলার অনুমতি দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবুও বিশ্বকাপের মতো দীর্ঘ টুর্নামেন্টের কথা মাথায় রেখে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে স্পেন টিম ম্যানেজমেন্ট। কোচ দে লা ফুয়েন্তের মতে, ইয়ামাল স্পেনের ভবিষ্যৎ এবং দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। তাই গ্রুপ পর্বের শুরুতেই তাঁকে অতিরিক্ত চাপের মধ্যে ফেলতে রাজি নন তিনি। প্রয়োজনে ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে মাঠে নামানো হতে পারে এই তরুণ ফুটবলারকে।ইয়ামালকে ছাড়াই কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে শক্তিশালী দল নিয়ে মাঠে নামতে প্রস্তুত স্পেন। বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম দাবিদার হিসেবে বিবেচিত স্প্যানিশরা প্রথম ম্যাচ থেকেই জয়ের ধারা শুরু করতে মরিয়া।
বিশ্ব ফুটবলে স্পেনের মতো পরাশক্তির বিপক্ষে নামলেও কেপ ভার্দেকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। আফ্রিকার পশ্চিম উপকূলের ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্র হলেও গত কয়েক বছরে আন্তর্জাতিক ফুটবলে উল্লেখযোগ্য উন্নতি করেছে তারা। আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের মঞ্চে একাধিকবার চমক দেখিয়েছে কেপ ভার্দে এবং শৃঙ্খলাবদ্ধ রক্ষণ ও দ্রুত পাল্টা আক্রমণ তাদের অন্যতম শক্তি। বিশ্বকাপ ২০২৬-এ যোগ্যতা অর্জন করেই ইতিহাস গড়েছে কেপ ভার্দে। দেশের ফুটবল ইতিহাসে এটাই প্রথম বিশ্বকাপ অংশগ্রহণ। দলের বেশিরভাগ ফুটবলার ইউরোপের বিভিন্ন লিগে খেলেন, ফলে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার অভিজ্ঞতাও রয়েছে তাদের। তবে বিশ্বকাপের মঞ্চে চমক দেখানোর স্বপ্ন নিয়েই মাঠে নামবে আফ্রিকার এই নবাগত দল। কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে ম্যাচে স্পেন স্পষ্টতই ফেভারিট। তবে বিশ্বকাপের মঞ্চে প্রতিটি ম্যাচকে সমান গুরুত্ব দিয়ে শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করতে চাইবে ‘লা রোহা’। গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে জয় দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করাই এখন স্পেনের প্রধান লক্ষ্য।