গান্ধীঘাটে হাইড্রোলিক মেশিনে প্রতিমা নিরঞ্জন, নিরাপত্তায় পুলিশ ও NDRF

নিজস্ব সংবাদদাতা : মেদিনীপুর শহর সংলগ্ন গান্ধীঘাটে শুরু হয়েছে প্রতিমা নিরঞ্জন। প্রতিমা বিসর্জন প্রক্রিয়াকে আরও দ্রুত, সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ করতে এবার হাইড্রোলিক মেশিনের সাহায্যে চলছে নিরঞ্জন। গোটা ব্যবস্থাপনা সরেজমিনে তদারকি করছেন মেদিনীপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন খান। উপস্থিত রয়েছেন জেলার পুলিশ সুপার, জেলাশাসক, মহকুমাশাসক-সহ প্রশাসনের অন্যান্য আধিকারিকরা।রামকৃষ্ণ মিশনের দুর্গাপ্রতিমা নিরঞ্জনের মধ্য দিয়ে হাইড্রোলিক মেশিনের ব্যবহার শুরু হয়। এই ব্যবস্থায় অল্প সময়ের মধ্যেই একাধিক প্রতিমা নিরঞ্জন করা সম্ভব হচ্ছে। পৌরসভার কর্মীরা নির্দিষ্ট ঘাট থেকে প্রতিমাগুলি নিয়ে এসে হাইড্রোলিক মেশিনের সাহায্যে নিরঞ্জন করছেন। ফলে প্রতিমা বিসর্জনের দীর্ঘ প্রক্রিয়াকে আরও দ্রুত ও পরিকল্পিতভাবে সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গান্ধীঘাটে প্রতিমা নিরঞ্জনকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। গোটা এলাকা নজরদারির আওতায় রাখতে বসানো হয়েছে ওয়াচ টাওয়ার ও সিসিটিভি ক্যামেরা। নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে পুলিশ বাহিনী, পাশাপাশি মোতায়েন রয়েছে NDRF (জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী)। নিরঞ্জন পর্বে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং প্রয়োজনে দ্রুত উদ্ধারকাজ পরিচালনার লক্ষ্যে সতর্ক রয়েছে সংশ্লিষ্ট বাহিনী ও প্রশাসন।প্রচলিত পদ্ধতির তুলনায় হাইড্রোলিক মেশিনের সাহায্যে প্রতিমা নিরঞ্জনের ফলে সময় সাশ্রয় হচ্ছে। অল্প সময়ের মধ্যে একাধিক প্রতিমা নিরঞ্জন করা সম্ভব হওয়ায় ঘাটে কাজের গতি বাড়ছে। একই সঙ্গে প্রতিমা বিসর্জনের সময় ভিড় ও ব্যবস্থাপনাজনিত সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতেও এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।দুর্গাপুজোর আনন্দ-উৎসব শেষে প্রতিমা নিরঞ্জন বাঙালির ঐতিহ্য ও আবেগের সঙ্গে জড়িত। সেই পর্বকে নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে মেদিনীপুরের গান্ধীঘাটে পৌরসভা ও প্রশাসনের এই সমন্বিত উদ্যোগ নজর কেড়েছে। নিরাপত্তা, নজরদারি এবং আধুনিক যন্ত্রের ব্যবহারের মাধ্যমে নিরঞ্জন প্রক্রিয়াকে সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্য নিয়েছে প্রশাসন।