চাকরি দুর্নীতি মামলায় সুমিত রায়ের ৭ দিনের পুলিশি হেফাজত, স্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের আবেদন খারিজ!

সেখ ওয়ারেশ আলী : চাকরি দুর্নীতি মামলায় বুধবার গড়বেতা আদালতে পেশ করা হল সুমিত রায়কে। মামলার তদন্তে উঠে আসা একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আদালতে তুলে ধরে তাঁকে ১২ দিনের পুলিশি হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানায় পুলিশ। তবে উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর সুমিত রায়কে সাত দিনের পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেয় আদালত। একই সঙ্গে, পুলিশি হেফাজতে থাকাকালীন স্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের অনুমতি চেয়ে তাঁর আইনজীবীর করা আবেদনও মঞ্জুর করেনি আদালত।আদালতে সরকারি আইনজীবী দাবি করেন, প্রাথমিক তদন্তে সুমিত রায়ের কাছ থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গিয়েছে।

পাশাপাশি, তদন্তে উলুবেড়িয়ার গাববেরিয়া হাসপাতাল থেকে একাধিক চাকরিপ্রার্থীর মেডিক্যাল সার্টিফিকেট করানোর বিষয়টিও উঠে এসেছে বলে পুলিশের হাতে তথ্য রয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় হাসপাতালের কোনও সরকারি কর্মচারীর ভূমিকা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।এদিন আদালতে সুমিত রায়ের আইনজীবী আবেদন জানান, পুলিশি হেফাজতে থাকাকালীন তাঁর স্ত্রীকে মক্কেলের সঙ্গে দেখা করার অনুমতি দেওয়া হোক। তবে সেই আবেদনের বিরোধিতা করেন সরকারি আইনজীবী।

তাঁর বক্তব্য, এই অনুমতি দেওয়া হলে তদন্তে উঠে আসা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি, তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করা বা তদন্তকে প্রভাবিত করার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না বলে আদালতে জানানো হয়।তদন্তের স্বার্থে সুমিত রায়কে ১২ দিনের পুলিশি হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছিল পুলিশ। উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত অবশ্য সাত দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেয়।

একই সঙ্গে, পুলিশি হেফাজতে থাকাকালীন স্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের আবেদনও খারিজ করে দেয় আদালত।চাকরি দুর্নীতি মামলায় চাকরিপ্রার্থীদের মেডিক্যাল সার্টিফিকেট তৈরি এবং এর সঙ্গে কোনও সরকারি কর্মচারীর যোগ ছিল কি না, সেই দিকগুলি এখন তদন্তকারীদের নজরে। তদন্ত যত এগোবে, এই ঘটনায় আরও কোনও তথ্য সামনে আসে কি না, সেদিকেই নজর রয়েছে।