উৎসবের আনন্দে নিরাপত্তার কড়া বলয়—খড়গপুরে দুর্গাপুজোর প্রস্তুতি তুঙ্গে!

অরিন্দম চক্রবর্তী : ২০২৬ সালের দুর্গাপুজোকে সামনে রেখে খড়গপুরে নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি জোরদার করা হল। শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল এবং নিরাপদভাবে দুর্গাপুজো, গণেশপুজো ও বিশ্বকর্মা পুজো সম্পন্ন করতে ৬ সেপ্টেম্বর আইআইটি খড়গপুরের নেতাজি অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হল এক গুরুত্বপূর্ণ মেগা সমন্বয় সভা।সভায় বিভিন্ন পুজো কমিটির প্রতিনিধি, মাইক ও আলোকসজ্জা সংস্থার প্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী, প্রশাসনিক আধিকারিক এবং বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উৎসবের দিনগুলিতে যাতে কোনও ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়, তার জন্য আগে থেকেই বিস্তারিত পরিকল্পনা তৈরির বিষয়ে আলোচনা হয়।যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, পুজো মণ্ডপের নিরাপত্তা, অগ্নিনিরাপত্তা এবং জরুরি পরিষেবা—প্রতিটি ক্ষেত্রেই বিশেষ নজর দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও যানজট মোকাবিলায় ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ, জেলা পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বুশারা বানো, খড়গপুরের এসডিও জ্যোতি ঘোষ, খড়গপুর টাউন থানার আইসি অমিত কুমার মিত্র-সহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরা।এছাড়াও খড়গপুর টাউন ও স্থানীয় থানার পুলিশ, দমকল বাহিনী, পৌরসভা, আরপিএফ, বিদ্যুৎ দফতর এবং আইআইটি খড়গপুরের প্রতিনিধিরাও সভায় অংশ নেন।প্রশাসনের বার্তা স্পষ্ট—উৎসবের আনন্দে কোনও বাধা নয়, তবে নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোনও আপসও নয়।

পুজোর দিনগুলিতে সাধারণ মানুষের নির্বিঘ্ন যাতায়াত, মণ্ডপগুলিতে নিরাপত্তা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত পরিষেবা নিশ্চিত করাই প্রশাসনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।‘নিরাপদ দুর্গাপূজা, নিরাপদ পশ্চিম মেদিনীপুর’—এই বার্তাকে সামনে রেখে খড়গপুরে শুরু হয়েছে ২০২৬ সালের পুজোর প্রস্তুতি। উৎসব যত এগিয়ে আসবে, ততই নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা আরও জোরদার করা হবে বলে জানা গিয়েছে।