কাকলির উপস্থিতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত? চর্চায় রাজনৈতিক মহল!

অভিজিৎ সাহা: Kakoli Ghosh Dastidar-কে ঘিরে ফের রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদীয় দলের মুখ্যসচেতকের পদ থেকে সরানোর পর সেই সিদ্ধান্তকে চার দশকের আনুগত্যের ‘পুরস্কার’ বলে কটাক্ষ করেছিলেন বারাসতের সাংসদ। এরপর জেলা সভাপতির পদ থেকেও ইস্তফা দেন তিনি। আর সেই ঘটনার মাত্র দু’দিন পরই মুখ্যমন্ত্রী Suvendu Adhikari-র প্রশাসনিক বৈঠকে তাঁর উপস্থিতি নতুন করে রাজনৈতিক মহলে চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে।মঙ্গলবার Kalyani-র এপিজে আব্দুল কালাম প্রেক্ষাগৃহে উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়া ও হুগলি জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠকে সংশ্লিষ্ট জেলার বিধায়ক ও সাংসদদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। পাশাপাশি দেখা যায় তৃণমূল বিধায়ক Anisur Rahman Bidesh, Bina Mondal এবং Abdul Matin-কেও। উপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হলেও তৃণমূল প্রতিনিধিদের দাবি, এলাকার উন্নয়নের স্বার্থেই তাঁরা প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিয়েছেন। বীণা মণ্ডল বলেন, “আমার এলাকার উন্নয়নের জন্যই এসেছি।” অন্য বিধায়করাও একই সুরে প্রতিক্রিয়া দেন।অন্যদিকে বিজেপির দাবি, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী প্রশাসনিক বৈঠকে বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধিদেরও আমন্ত্রণ জানিয়ে নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির সূচনা করেছেন। সেই কারণেই তৃণমূল প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে দাবি তাদের।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহের পর শুভেন্দুর প্রশাসনিক বৈঠকে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের উপস্থিতি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। বিশেষ করে মুখ্যসচেতকের পদ হারানো এবং জেলা সভাপতির পদ থেকে ইস্তফার পর তাঁর এই উপস্থিতি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে।যদিও এ বিষয়ে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া, “প্রশাসন সবার।”