জাতীয় যুব উৎসবে উজ্জ্বল বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়, একাধিক বিভাগে পদক জিতে নজর কাড়ল শিক্ষার্থীরা!
নিজস্ব সংবাদদাতা: চেন্নাইয়ের সত্যবামা ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি-তে আয়োজিত ৩৯তম আন্তঃ বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয় যুব উৎসব (ইউনিফেস্ট) ২০২৫–২৬ সফলভাবে শেষ হয়েছে ১৪ মার্চ। ভারতের অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়ান ইউনিভার্সিটিজ-এর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এই সাংস্কৃতিক উৎসবটি দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের প্রতিভা প্রদর্শনের অন্যতম বড় মঞ্চ হয়ে উঠেছিল।১০ থেকে ১৪ মার্চ পর্যন্ত পাঁচ দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানে দেশের ২৮টি রাজ্যের মোট ১৪৫টি বিশ্ববিদ্যালয় অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতাগুলি আটটি অঞ্চলে বিভক্ত ছিল এবং সঙ্গীত, নৃত্য, থিয়েটার, সাহিত্য ও চারুকলার বিভিন্ন বিভাগে ছাত্রছাত্রীরা নিজেদের দক্ষতা তুলে ধরেন।
এই মর্যাদাপূর্ণ উৎসবে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যে তিনটি বিভাগে অংশ নিয়েছিল, সেই তিনটিতেই পদক জিতে নজর কেড়েছে।
সাফল্যের তালিকা:
পশ্চিমী কণ্ঠ একক: উজ্জ্বয়িনী দাশগুপ্ত — তৃতীয় স্থান
বিতর্ক: শ্রীজিতা ঘোষ ও দেবয়ান চক্রবর্তী — তৃতীয় স্থান
পশ্চিমী গ্রুপ সঙ্গীত: শমর্থী ব্যানার্জি, কঙ্কনা হাজরা, ইরিন হোতা, উজ্জ্বয়িনী দাশগুপ্ত ও কুসুমিতা সাধু — চতুর্থ স্থান
এই সাফল্যে উচ্ছ্বসিত বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য দীপক কুমার কর সাংস্কৃতিক দলের সকল সদস্যকে তাঁদের অসাধারণ পারফরম্যান্সের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন। একইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার জে. কে. নন্দী-ও শিক্ষার্থীদের এই সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।ছাত্র কল্যাণ বিভাগের ডিন ড. অশোক কুমার জানান, আন্তঃ কলেজ সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা থেকে শুরু করে পূর্বাঞ্চল আন্তঃ বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা এবং শেষ পর্যন্ত জাতীয় যুব উৎসবের মঞ্চ পর্যন্ত পৌঁছানোর এই দীর্ঘ যাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সার্বিক সহযোগিতা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি রেজিস্ট্রার, দলনেতা অধ্যাপক সুজিত কুমার পাল এবং সুমন্ত সাহার সহায়তার কথাও উল্লেখ করেন।বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, শিক্ষার্থীদের এই সাফল্য ভবিষ্যতে আরও বড় মঞ্চে বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।