ফলতা উপনির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন জাহাঙ্গীর খান, শুরু রাজনৈতিক জল্পনা!

অভিজিৎ সাহা : ফলতা বিধানসভা উপনির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে জাহাঙ্গীর খানের সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এই নির্বাচন তিনি আর লড়বেন না। শান্তি ও “সোনার ফলতা” গড়ার বার্তা দিতে গিয়েই কার্যত নির্বাচনী লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেন তিনি।একদিকে ফলতার উন্নয়নের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন জাহাঙ্গীর খান, অন্যদিকে শুভেন্দু অধিকারীর ঘোষিত উন্নয়ন প্যাকেজেরও প্রশংসা করেন। এরপরই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে—এই সিদ্ধান্ত কি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত, নাকি এর পিছনে রয়েছে দলের কোনও কৌশল?এই ঘটনাকে ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিক্রিয়া জানান আইএসএফ নেতা নওশাদ সিদ্দিকি। তিনি প্রশ্ন তোলেন, “ফলতার নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন জাহাঙ্গীর খান! এটা কি স্বেচ্ছায়, বিজেপিকে বার্তা দিতে, নাকি তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ বোঝাপড়ার ফল?”এর কিছুক্ষণের মধ্যেই বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক অবস্থান স্পষ্ট করে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের তরফে সোশ্যাল মিডিয়ায় জানানো হয়, ফলতা উপনির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে জাহাঙ্গীর খানের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, এর সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই।পাশাপাশি তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, ৪ঠা মে নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই ফলতা বিধানসভা এলাকায় দলের শতাধিক কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযোগ, দিনের আলোয় দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর, দখল ও বন্ধ করে দেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে। নির্বাচন কমিশনের কাছে একাধিকবার অভিযোগ জানানো হলেও কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলেও দাবি করেছে দল।তৃণমূল আরও জানিয়েছে, “চাপ ও ভয়ভীতির মধ্যেও দলের কর্মীরা লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। যদিও শেষ পর্যন্ত কেউ কেউ সেই চাপের কাছে নতি স্বীকার করে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই। বাংলা বিরোধী বিজেপির বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই পশ্চিমবঙ্গ ও দিল্লি—দুই জায়গাতেই চলবে।