তৃণমূলে ভাঙনের জল্পনা তুঙ্গে! দিল্লিতে বৈঠক, বিজেপিতে যোগদানের গুঞ্জনে সরগরম রাজনীতি!
অভিজিৎ সাহা: বিধানসভার পর লোকসভাতেও (Lok Sabha Speaker) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) হাতছাড়া তৃণমূল। ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদ যোগ দিতে চাইছেন কেন্দ্রে বিজেপির নেতৃত্বাধীন শাসকজোট এনডিএ-তে। সূত্রের খবর, আপাতত ২৮ জনের মধ্যে ২০ জন সাংসদের সই করা চিঠি জমা পড়েছে। সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের (Kakoli Ghosh Dastidar) নেতৃত্বে চিঠি জমা দেওয়া হয়েছে। লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার (Lok Sabha Speaker Om Birla) কাছে চিঠি জমা দিলেন ‘বিদ্রোহী’ সাংসদরা। শোনা যাচ্ছে, ‘বিদ্রোহী’ সাংসদের সংখ্যাটা বেড়ে ২১ হতে পারে। রাজধানীতেও বিদ্রোহের আগুনে পুড়ছে তৃণমূল। কার্যত নিশ্চিত সংসদীয় দলের ভাঙন। মমতা-অভিষেক যখন দিল্লিতে তখন সেখানেই ভেঙে টুকরো টুকরো তৃণমূল। সোমবার সকালে রাজ্যসভার সাংসদ পদ ও তৃণমূলের সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিলেন সুখেন্দুশেখর রায়। লোকসভার স্পিকারকে তৃণমূলের বিদ্রোহীদের এই চিঠি পাঠানোর কথা প্রকাশ্যে আসার আগে বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে যান বিদ্রোহী সাংসদেরা। সূত্রের খবর, সেখানে কাকলি, শতাব্দীর পাশাপাশি ছিলেন প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, অসিত মাল, বাপি হালদার, জুন মালিয়া, জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া, কালীপদ সরেন, অরূপ চক্রবর্তী, পার্থ ভৌমিক, শর্মিলা সরকারেরা। দলত্যাগ বিরোধী আইন এড়াতে বিদ্রোহীদের দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন প্রয়োজন। যে সংখ্যক সাংসদ বিদ্রোহী হয়েছেন, তাতে লোকসভায় তাঁদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইনে পদক্ষেপের দাবি তোলা সম্ভব নয় তৃণমূলের পক্ষে। বর্তমানে তৃণমূলের লোকসভায় ২৮ এবং রাজ্যসভায় ১৩ জন সাংসদ রয়েছেন। অর্থাৎ, লোকসভায় কমপক্ষে ১৯ জন, রাজ্যসভায় কমপক্ষে ৮ জন বিদ্রোহীর প্রয়োজন।