১৪৪ বছর পর মাঘী পূর্ণিমায় দুর্লভ মহাযোগ!
এবারের মাঘী পূর্ণিমা অত্যন্ত শুভ এবং বিরল এক যোগ তৈরি করছে, যা ১৪৪ বছর পরে ঘটছে। আজ ১২ ফেব্রুয়ারি বুধবার মাঘী পূর্ণিমা। হিন্দু ধর্মে পূর্ণিমা তিথির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। বুধবার বুধের সঙ্গে সূর্য গ্রহের মিলন হবে কুম্ভ রাশিতে। যার ফলে বুধাদিত্য যোগ তৈরি হবে। আবার চাঁদ আজ কর্কট রাশি থেকে সিংহ রাশিতে গোচর করবে। আজ সারাদিন সৌভাগ্য যোগ ও শোভন যোগের প্রভাব থাকছে। এছাড়াও ১৪৪ বছর পর মাঘী পূর্ণিমায় অত্যন্ত শুভ যোগ তৈরি হয়েছে। ২০২৫ সালে মাঘী পূর্ণিমার দিনে মহাকুম্ভ স্নানও রয়েছে। তাই এই
নিজস্ব সংবাদদাতা: এবারের মাঘী পূর্ণিমা অত্যন্ত শুভ এবং বিরল এক যোগ তৈরি করছে, যা ১৪৪ বছর পরে ঘটছে। আজ ১২ ফেব্রুয়ারি বুধবার মাঘী পূর্ণিমা। হিন্দু ধর্মে পূর্ণিমা তিথির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। বুধবার বুধের সঙ্গে সূর্য গ্রহের মিলন হবে কুম্ভ রাশিতে। যার ফলে বুধাদিত্য যোগ তৈরি হবে। আবার চাঁদ আজ কর্কট রাশি থেকে সিংহ রাশিতে গোচর করবে। আজ সারাদিন সৌভাগ্য যোগ ও শোভন যোগের প্রভাব থাকছে। এছাড়াও ১৪৪ বছর পর মাঘী পূর্ণিমায় অত্যন্ত শুভ যোগ তৈরি হয়েছে। ২০২৫ সালে মাঘী পূর্ণিমার দিনে মহাকুম্ভ স্নানও রয়েছে। তাই এই দিনের গুরুত্ব আরও বেড়ে গিয়েছে।

আজকের দিনে কাদের ভাগ্যের চাকা ঘুরবে, দেখে নেওয়া যাক-
মেষ - মাঘী পূর্ণিমায় মেষ রাশির সুখের দিন ফিরবে। সম্পত্তি কেনার যোগ রয়েছে। কর্মজীবনে সমস্যার সমাধান হবে। যাঁরা চাকরি খুঁজছেন, তাঁরা সুখবর পেতে পারেন। ব্যবসায়ে লাভের মুখ দেখবেন। কোনও আইনি সমস্যা চললে এবার তা মিটে যাবে।
মিথুন- আজকের দিনে মিথুন রাশির কপাল খুলবে। কর্মক্ষেত্রে পরিশ্রমের ফল পাবেন। সমাজে যশ-খ্যাতি বাড়বে। ব্যবসায়ে ভবিষ্যতে লাভ হবে এমন বড় বিনিয়োগ করতে পারেন। অনেক দিনের আটকে থাকা টাকা ফেরত পেতে পারেন।
সিংহ- মাঘী পূর্ণিমার বিরল সংযোগ সিংহ রাশির জন্য লাভজনক হতে চলেছে। পরিবারের সঙ্গে বেড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা করবেন। সংসারের আর্থিক সংকট কাটবে। অফিসে পদোন্নতি হতে পারে। নতুন আয়ের উৎস খুঁজে পেতে পারেন। সন্তানের শরীরের দিকে খেয়াল রাখুন।
মকর - আজকের দিনে সৌভাগ্যের দরজা খুলবে মকর রাশির। কর্মক্ষেত্রে মর্যাদা বাড়বে। নিজের ব্যক্তিত্ব, ব্যবহারের মাধ্যমে সকলের মন জয় করবেন। পরিবারের কারওর সঙ্গে বিবাদ হলে এবার তা মিটে যাবে। সঙ্গীর সঙ্গে সম্পর্ক আরও মজবুত হবে। সন্তানের কোনও সুখবর পেতে পারেন।
তাই মাঘী পূর্ণিমার পূণ্য সময়ে এই গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলি করা অত্যন্ত ফলদায়ক হবে।
১. মাঘী পূর্ণিমায় সকালে ঘুম থেকে উঠুন। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব স্নান সেরে নিন। সূর্যকে জল অর্পণ করে স্তোত্র পাঠ করুন। লাল বস্ত্র পরুন।
২. মাঘী পূর্ণিমা তিথিতে অবশ্যই দানধ্যান করুন। মিছরি, চিনি এবং চাল দান করতে পারলে সুফল মিলবেই। মঙ্গল গ্রহের দোষ থাকলে ছোলার ডাল, তামার পাত্র দান করুন। বুধের দোষ থাকলে আমলকী দান করতে পারেন। বিয়ে নিয়ে কোনও জটিলতা থাকলে সরষে, জাফরান, ভুট্টাও দান করতে পারেন।
৩. মাঘী পূর্ণিমার দিনে অশ্বত্থ গাছের নিচে প্রদীপ জ্বালান। গাছের গোড়ায় দুধ ও জলের মিশ্রণ দিতে ভুলবেন না।
৪. সম্পদ ও সমৃদ্ধির জন্য মাঘী পূর্ণিমায় ভগবান বিষ্ণুর সহস্রনাম স্তোত্রপাঠ করতে পারেন।
৫. অর্থবৃদ্ধির জন্য ১১টি কড়িতে হলুদ মাখিয়ে লাল কাপড়ে মুড়ে বাড়িতে ঠাকুরের সিংহাসনে রেখে দিন। সকাল, সন্ধ্যা নিয়মিত পুজো করুন।
সম্পর্কিত খবর
দেশ
দোলের দিনই পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ! ৩ মার্চ আকাশে বিরল দৃশ্য, জেনে নিন সময়সূচি ও বিধিনিষেধ!
দোল উৎসবের রঙিন আবহের মাঝেই ৩ মার্চ, মঙ্গলবার আকাশে দেখা যাবে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ। চাঁদ পৃথিবীর ছায়ায় প্রবেশ করলে যে গ্রহণ ঘটে, তাকেই বলা হয় চন্দ্রগ্রহণ। আর যখন চাঁদের সম্পূর্ণ অংশ পৃথিবীর ঘন ছায়ায় ঢেকে যায়, তখন তা পূর্ণগ্রাস গ্রহণে পরিণত হয়। এ বছরের এই গ্রহণ ভারতের আকাশে দৃশ্যমান হওয়ায় তা বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।জ্যোতির্বিদদের তথ্য অনুযায়ী, ৩ মার্চ দুপুর ২টো ১৩ মিনিটে চাঁদ উপচ্ছায়ায় প্রবেশ করবে। মূল গ্রহণ শুরু হবে বিকেল ৩টে ২০ মিনিটে। শেষ হবে সন্ধ্যা ৬টা ৪৮ মিনিটে এবং রাত ৭টা
তারাপীঠ ও তারা মা’র ইতিহাস!
তারাপীঠের বর্তমান মন্দিরের ইতিহাস প্রায় দুশো বছর হলেও তারাপীঠের ইতিহাস কিন্তু হাজার দেড়হাজার বছরেরও অধিক। তার ইতিহাস প্রাচীন, আবছায়া, অস্পষ্ট এক অতীতের মধ্যে মিশে আছে। একদিকে ইতিহাস, দলিল-দস্তাবেজ আর অন্যদিকে পুরাণ ও লোককথা।সব মিলেই তারাপীঠের মন্দির এবং তারামায়ের কাহিনী এক অন্য স্থান দখল করেছে।তারা মা, হিন্দু ধর্মের দশ মহাবিদ্যার অন্যতম দেবী, যিনি শক্তি, জ্ঞান, মুক্তি ও রক্ষার প্রতীক। তিনি মহাকালী, দুর্গা ও অন্যান্য দেবীর সঙ্গে সম্পর্কিত এক অপরূপা দেবী, যাঁর উপা
দেশ
আজ কালভৈরব জয়ন্তী!
কাল ভৈরবকে ভগবান শিবের উগ্র রূপ বলা হয়। কথিত আছে যে মার্গশীর্ষ মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে ভগবান কাল ভৈরব অবতারণা করেছিলেন। এ বছর কাল ভৈরব জয়ন্তী পালিত হচ্ছে বুধবার,২৭ কার্তিক (১২ই নভেম্বর) । এটা বিশ্বাস করা হয় যে এই দিনে পূর্ণ আচারের সঙ্গে পুজো করলে একজন ব্যক্তি সমস্ত ব্যথা, নেতিবাচকতা এবং ভয় থেকে মুক্তি পায়। কাল ভৈরব জয়ন্তীর দিন পুজো করতে হলে ভোরে স্নান করতে হবে। অতঃপর পরিষ্কার পোশাক পরিধান করে ব্রত রাখার অঙ্গীকার গ্রহণ করুন। এর পরে ভগবান শিবের পুজো করুন এবং তারপর