বৃহস্পতিবার কীভাবে করবেন ব্রত পালন?
বৃহস্পতিবার ভগবান বিষ্ণুকে উৎসর্গ করা হয়। বৃহস্পতিবার ভগবান বিষ্ণুর জন্য উপবাস রাখা হয়। আপনি যদি প্রথমবার ব্রত শুরু করেন তবে মনে রাখবেন যে কোনও মাসের শুক্লপক্ষের বৃহস্পতিবার থেকে বৃহস্পতিবার এর উপবাস শুরু করুন।যদি বৃহস্পতিবার ব্রত রাখা হয় তবে তাদের মোট সংখ্যা ১৬ হওয়া উচিত। অর্থাৎ ১৬ বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ব্রত পালন করবেন।
নিজস্ব প্রতিবেদন : বৃহস্পতিবার ভগবান বিষ্ণুকে উৎসর্গ করা হয়। বৃহস্পতিবার ভগবান বিষ্ণুর জন্য উপবাস রাখা হয়। আপনি যদি প্রথমবার ব্রত শুরু করেন তবে মনে রাখবেন যে কোনও মাসের শুক্লপক্ষের বৃহস্পতিবার থেকে বৃহস্পতিবার এর উপবাস শুরু করুন।যদি বৃহস্পতিবার ব্রত রাখা হয় তবে তাদের মোট সংখ্যা ১৬ হওয়া উচিত। অর্থাৎ ১৬ বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ব্রত পালন করবেন।
সম্পর্কিত খবর
দেশ
দোলের দিনই পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ! ৩ মার্চ আকাশে বিরল দৃশ্য, জেনে নিন সময়সূচি ও বিধিনিষেধ!
দোল উৎসবের রঙিন আবহের মাঝেই ৩ মার্চ, মঙ্গলবার আকাশে দেখা যাবে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ। চাঁদ পৃথিবীর ছায়ায় প্রবেশ করলে যে গ্রহণ ঘটে, তাকেই বলা হয় চন্দ্রগ্রহণ। আর যখন চাঁদের সম্পূর্ণ অংশ পৃথিবীর ঘন ছায়ায় ঢেকে যায়, তখন তা পূর্ণগ্রাস গ্রহণে পরিণত হয়। এ বছরের এই গ্রহণ ভারতের আকাশে দৃশ্যমান হওয়ায় তা বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।জ্যোতির্বিদদের তথ্য অনুযায়ী, ৩ মার্চ দুপুর ২টো ১৩ মিনিটে চাঁদ উপচ্ছায়ায় প্রবেশ করবে। মূল গ্রহণ শুরু হবে বিকেল ৩টে ২০ মিনিটে। শেষ হবে সন্ধ্যা ৬টা ৪৮ মিনিটে এবং রাত ৭টা
তারাপীঠ ও তারা মা’র ইতিহাস!
তারাপীঠের বর্তমান মন্দিরের ইতিহাস প্রায় দুশো বছর হলেও তারাপীঠের ইতিহাস কিন্তু হাজার দেড়হাজার বছরেরও অধিক। তার ইতিহাস প্রাচীন, আবছায়া, অস্পষ্ট এক অতীতের মধ্যে মিশে আছে। একদিকে ইতিহাস, দলিল-দস্তাবেজ আর অন্যদিকে পুরাণ ও লোককথা।সব মিলেই তারাপীঠের মন্দির এবং তারামায়ের কাহিনী এক অন্য স্থান দখল করেছে।তারা মা, হিন্দু ধর্মের দশ মহাবিদ্যার অন্যতম দেবী, যিনি শক্তি, জ্ঞান, মুক্তি ও রক্ষার প্রতীক। তিনি মহাকালী, দুর্গা ও অন্যান্য দেবীর সঙ্গে সম্পর্কিত এক অপরূপা দেবী, যাঁর উপা
দেশ
আজ কালভৈরব জয়ন্তী!
কাল ভৈরবকে ভগবান শিবের উগ্র রূপ বলা হয়। কথিত আছে যে মার্গশীর্ষ মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে ভগবান কাল ভৈরব অবতারণা করেছিলেন। এ বছর কাল ভৈরব জয়ন্তী পালিত হচ্ছে বুধবার,২৭ কার্তিক (১২ই নভেম্বর) । এটা বিশ্বাস করা হয় যে এই দিনে পূর্ণ আচারের সঙ্গে পুজো করলে একজন ব্যক্তি সমস্ত ব্যথা, নেতিবাচকতা এবং ভয় থেকে মুক্তি পায়। কাল ভৈরব জয়ন্তীর দিন পুজো করতে হলে ভোরে স্নান করতে হবে। অতঃপর পরিষ্কার পোশাক পরিধান করে ব্রত রাখার অঙ্গীকার গ্রহণ করুন। এর পরে ভগবান শিবের পুজো করুন এবং তারপর