নিজস্ব সংবাদদাতা : বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশের পরই নির্বাচনী প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত জানালেন পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলাশাসক Bijin Krishna। সোমবার Medinipur-এর জেলাশাসক কার্যালয়ে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, আগামী ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় জেলার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে ৩০ মার্চ। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ৬ এপ্রিল, স্ক্রুটিনি ৭ এপ্রিল এবং প্রার্থীপদ প্রত্যাহারের শেষ দিন ৯ এপ্রিল। ভোটের ফল ঘোষণা করা হবে ৪ মে।জেলাশাসক জানান, জেলায় মোট ৪৭৭৩টি ভোটকেন্দ্র থাকবে। এর মধ্যে ৪৩৩৩টি মূল বুথের পাশাপাশি ৪৪০টি অতিরিক্ত ভোটগ্রহণ কেন্দ্র রাখা হয়েছে। স্পর্শকাতর বা ক্রিটিক্যাল বুথের সংখ্যা ১৬০। বিশেষ উদ্যোগ হিসেবে এবার ৪৬৯টি মহিলা পরিচালিত বুথ গড়ে তোলা হচ্ছে।নির্বাচন পরিচালনায় প্রায় ২৭ হাজার কর্মী নিয়োগ করা হবে, যাদের প্রশিক্ষণ শীঘ্রই শুরু হবে। গোটা জেলাকে ৩৮০টি সেক্টরে ভাগ করে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রের উপর নজরদারি চালানো হবে বলে জানিয়েছেন প্রশাসন।জেলার অসংরক্ষিত কেন্দ্রগুলির মধ্যে রয়েছে দাঁতন, খড়্গপুর সদর, নারায়ণগড়, সবং, পিংলা, খড়্গপুর, ডেবরা, দাসপুর, গড়বেতা, শালবনি ও মেদিনীপুর। সংরক্ষিত (এসসি) কেন্দ্রগুলির মধ্যে রয়েছে ঘাটাল, চন্দ্রকোনা ও কেশপুর, এবং সংরক্ষিত (এসটি) কেন্দ্র কেশিয়াড়ি।ভোটগণনার জন্য একাধিক কেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে। দাঁতন, নারায়ণগড়, কেশিয়াড়ি, খড়্গপুর সদর, সবং, পিংলা, খড়্গপুর ও ডেবরার গণনা হবে খড়্গপুর কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়-২-এ। দাসপুর, ঘাটাল ও চন্দ্রকোনার ভোটগণনা হবে ঘাটাল রবীন্দ্র শতবার্ষিকী মহাবিদ্যালয়ে। অন্যদিকে গড়বেতা, শালবনি, মেদিনীপুর ও কেশপুরের গণনা হবে মেদিনীপুর কলেজে।নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। ওড়িশা সীমান্তবর্তী এলাকায় ৪টি নাকা চেকপোস্ট বসানো হবে। ইতিমধ্যেই জেলায় ২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। প্রতিটি বুথে ওয়েব কাস্টিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে এবং ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভোটার তালিকায় নাম না থাকলে নতুন করে আবেদন করার সুযোগ থাকবে। সেক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ফর্ম-৬ জমা দিতে হবে।সব মিলিয়ে, শান্তিপূর্ণ ও স্বচ্ছ ভোট প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে একাধিক কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে জেলা প্রশাসন।