Skip to content

১২ ফেব্রুয়ারি ভারত বনধে কড়া বার্তা নবান্নের — অফিস কামাই করলেই ‘ডাইজ-নন’, বেতন কাটা ও শোকজের সতর্কতা!

1 min read

অভিজিৎ সাহা: ১২ ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী ‘ভারত বনধ’-এর ডাক ঘিরে সরকারি কর্মীদের জন্য কড়া নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য সরকার। বুধবার অর্থ দফতরের অডিট শাখার প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, ওই দিন রাজ্যের সমস্ত সরকারি ও অনুদানপ্রাপ্ত দফতর খোলা থাকবে এবং সকল কর্মীকেই কাজে যোগ দিতে হবে। অনুমতি ছাড়া অনুপস্থিত থাকলে তা ‘ডাইজ-নন’ হিসেবে গণ্য হবে, ফলে সংশ্লিষ্ট দিনের বেতন কাটা যাবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ১২ ফেব্রুয়ারি কোনও কর্মীকে ক্যাজুয়াল লিভ বা অন্য কোনও ধরনের ছুটি মঞ্জুর করা হবে না—তা অর্ধদিবস বা পূর্ণ দিবসের জন্য হলেও।

অনুপস্থিতির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় প্রধান বা নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ ‘শো-কজ’ নোটিস জারি করতে পারেন। সন্তোষজনক জবাব না মিললে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও নেওয়া হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।তবে কিছু বিশেষ পরিস্থিতিতে ছাড়ের কথা উল্লেখ রয়েছে। কোনও কর্মী হাসপাতালে ভর্তি থাকলে, পরিবারে শোকের ঘটনা ঘটলে, অথবা ১১ ফেব্রুয়ারির আগেই অনুমোদিত মাতৃত্বকালীন ছুটি, শিশু পরিচর্যা ছুটি, মেডিক্যাল লিভ বা অর্জিত ছুটিতে থাকলে অনুপস্থিতি গ্রহণযোগ্য হতে পারে। সেক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে হবে বলে নির্দেশে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি এই নির্দেশ কার্যকর করার প্রক্রিয়া ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সম্পন্ন করে রিপোর্ট অর্থ দফতরে পাঠানোর কথাও বলা হয়েছে।
এদিকে, কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নগুলির ডাকে বৃহস্পতিবার ২৪ ঘণ্টার ‘ভারত বনধ’-এর প্রস্তুতি জোরদার হয়েছে। কেন্দ্রের চারটি নতুন শ্রম আইন ও বিভিন্ন অর্থনৈতিক নীতির প্রতিবাদে এই কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছে বলে সংগঠনগুলির দাবি। তাঁদের অভিযোগ, নতুন শ্রম আইন শ্রমিক সুরক্ষা দুর্বল করছে এবং নিয়োগ-বরখাস্তের ক্ষেত্রে মালিকদের অতিরিক্ত ক্ষমতা দিচ্ছে। ট্রেড ইউনিয়ন সূত্রে দাবি, ৩০ কোটিরও বেশি শ্রমিক এই আন্দোলনে অংশ নিতে পারেন। ফলে ব্যাঙ্কিং, পরিবহণ এবং বিভিন্ন সরকারি পরিষেবায় প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।ধর্মঘটের ডাক সত্ত্বেও সরকারি পরিষেবা সচল রাখতে রাজ্য সরকারের এই কড়া অবস্থান রাজনৈতিক মহলে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

Latest