পশ্চিম মেদিনীপুরে প্রথম ডিজিটাল মালখানা চালু শালবনী থানায়!

পশ্চিম মেদিনীপুরে প্রথম ডিজিটাল মালখানা চালু শালবনী থানায়!

সেখ ওয়ারেশ আলী : মামলার তদন্তে বাজেয়াপ্ত সামগ্রী ও গুরুত্বপূর্ণ নথি সংরক্ষণ এবং প্রয়োজনে দ্রুত খুঁজে পাওয়ার সুবিধার্থে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার শালবনী থানায় প্রথম চালু হল ডিজিটাল মালখানা। একটি অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই আধুনিক ব্যবস্থার উদ্বোধন করা হয়। জেলা পুলিশের এই উদ্যোগে তদন্তের কাজের পাশাপাশি আদালতে বিচার চলাকালীন প্রয়োজনীয় নথি ও সামগ্রী পেশ করার প্রক্রিয়াও আরও সহজ হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এতদিন থানার মালখানায় বিভিন্ন মামলার নথি ও তদন্তের স্বার্থে বাজেয়াপ্ত সামগ্রী সংরক্ষণ করতে গিয়ে অনেক সময় সমস্যার মুখে পড়তে হত পুলিশকর্মীদের। একাধিক মামলার জিনিসপত্র ও নথি ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকায় প্রয়োজনের সময় নির্দিষ্ট সামগ্রী খুঁজে পেতে বিলম্ব হত। ডিজিটাল মালখানা চালু হওয়ায় সেই সমস্যা অনেকটাই কমবে বলে আশা জেলা পুলিশের।জেলা পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা জানান, নতুন ব্যবস্থায় প্রতিটি মামলার নথি ও বাজেয়াপ্ত সামগ্রী নির্দিষ্ট নিয়মে প্যাকিং করে তাতে কিউআর কোড লাগানো হবে। এরপর সেগুলি নির্দিষ্ট স্থানে সংরক্ষণ করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট মামলার নম্বর-সহ যাবতীয় তথ্য কম্পিউটারে নথিভুক্ত করা থাকবে।

ফলে কোনও মামলার নথি বা বাজেয়াপ্ত সামগ্রী প্রয়োজন হলে কম্পিউটারে সংশ্লিষ্ট কেস নম্বর দিলেই তা কোথায় রাখা রয়েছে, সহজেই জানা যাবে।এই ব্যবস্থার ফলে সংরক্ষিত সামগ্রী খুঁজে বের করার সময় কমবে। পাশাপাশি আদালতে মামলা চলাকালীন প্রয়োজনীয় নথি বা সামগ্রী দ্রুত চিহ্নিত করে পেশ করতেও সুবিধা হবে। তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ সংরক্ষণে আরও শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা আসবে বলে মনে করছে পুলিশ প্রশাসন।জেলা পুলিশের মডেল পাইলট প্রকল্প হিসেবে শালবনী থানায় এই ডিজিটাল মালখানা চালু করা হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে এই ব্যবস্থার কার্যকারিতা পর্যালোচনার পর পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার অন্যান্য থানাতেও ধাপে ধাপে ডিজিটাল মালখানা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।প্রযুক্তির ব্যবহারে থানার মালখানা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করে তোলার ক্ষেত্রে শালবনী থানার এই উদ্যোগকে জেলা পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

\\\\\\\\n\\\\\\\\n\\\\\\\\n\\\\n\\\\n\\n\\n\n\n