Skip to content

ইরান–ইজরায়েল সংঘাতে তেলের বাজারে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি! দাম ৮০ ডলার পেরোল, ভারতের হাতে মজুত মাত্র ২৫ দিনের!

নিজস্ব সংবাদদাতা : মধ্যপ্রাচ্যে ইরান–ইজরায়েল সংঘাতের জেরে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দামে বড়সড় উল্লম্ফন। এক লাফে প্রায় ১৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেলপিছু দাম ৮০ ডলার ছাড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে এই অস্থিরতার সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে ভারতীয় অর্থনীতিতেও—এমন আশঙ্কা ক্রমশ জোরালো হচ্ছে। সংবাদসংস্থা ANI সরকারি সূত্র উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, দেশে কৌশলগত ও বাণিজ্যিক মজুত মিলিয়ে প্রায় ২৫ দিন জ্বালানির চাহিদা মেটানোর মতো তেল রয়েছে। একই সঙ্গে বিকল্প উৎসের খোঁজও শুরু হয়েছে। তবে কেন্দ্রীয় মহলের দাবি, আপাতত পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বাড়ানোর কোনও তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেই। যদিও বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে পরিস্থিতি দ্রুত বদলাতে পারে। এদিকে স্যাটেলাইট ছবিতে ধরা পড়েছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। Saudi Arabia-র রাস তানুরা তেল শোধনাগারে ব্যাপক ক্ষতির চিহ্ন স্পষ্ট। সৌদি কর্তৃপক্ষের দাবি, ইরানের ড্রোন হামলার ফলেই এই ধ্বংসযজ্ঞ। পারস্য উপসাগরের তীরে অবস্থিত এই রিফাইনারি বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। ক্ষতিগ্রস্ত রাস তানুরা রিফাইনারিটি পরিচালনা করে রাষ্ট্রীয় তেল সংস্থা Saudi Aramco। প্রতিদিন মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল প্রক্রিয়াজাত হয় এখানে এবং সৌদি আরবের তেল রপ্তানির প্রধান ভরকেন্দ্র হিসেবেই পরিচিত এই স্থাপনা। স্যাটেলাইট চিত্রে আগুনে পোড়া দাগ, ড্রোন হামলার চিহ্ন এবং অবকাঠামোর গুরুতর ক্ষয়ক্ষতি স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, এই হামলা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতকে আরও বিপজ্জনক মোড়ে ঠেলে দিতে পারে। আর তার প্রভাব শুধু যুদ্ধক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ থাকবে না—জ্বালানির দামের ধাক্কায় বিশ্ব অর্থনীতি নতুন সঙ্কটে পড়তে পারে।

Latest