Skip to content

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের ঝড়: ইরানে মার্কিন-ইসরায়েল যৌথ হামলা, উপসাগর জুড়ে রক্তক্ষয় ও অনিশ্চয়তা!

নিজস্ব সংবাদদাতা : মধ্যপ্রাচ্যে বহু বছরের মধ্যে সবচেয়ে বিপজ্জনক অস্থিরতার সূচনা করল ইরানের উপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক হামলা। এই সংঘাত শুধু আঞ্চলিক নয়, বৈশ্বিক রাজনীতিকেও অনিশ্চয়তার ঘূর্ণিতে ঠেলে দিয়েছে। ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ নেতা Ali Khamenei-কে হারানোর পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। তেহরান পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত একাধিক মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। প্রধান শত্রু Israel-এর পাশাপাশি উপসাগরীয় বিভিন্ন দেশও এই সংঘাতের অভিঘাতে জড়িয়ে পড়েছে। ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের সমন্বিত আক্রমণের মুখে টিকে থাকার লড়াইয়ে নেমেছে তেহরান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump এখনও সামরিক অভিযানের নির্দিষ্ট শেষ তারিখ ঘোষণা করেননি। এমনকি স্থল অভিযানের সম্ভাবনাও সম্পূর্ণ উড়িয়ে দেননি তিনি। ইরানের পারমাণবিক ও সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে চালানো এই হামলার জেরে শুরু হয়েছে প্রতিশোধমূলক ক্ষেপণাস্ত্র বৃষ্টি। উপসাগর জুড়ে অস্থিরতা বেড়েছে, তেলের বাজারে ধাক্কা লেগেছে, বাড়ছে প্রাণহানির সংখ্যা। এখনও পর্যন্ত ৭০০-র বেশি ইরানি নিহত হওয়ার খবর মিলেছে। তেহরানের পাল্টা হামলায় উপসাগরীয় অঞ্চলেও মৃতের সংখ্যা বেড়েছে বলে আশঙ্কা। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘ আলোচনার পর সমাধানের পথ খুলছে বলেই মনে হচ্ছিল। কিন্তু ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সমন্বিত সামরিক আক্রমণ শুরু করে সেই আশায় জল ঢালে। ওয়াশিংটন তাদের অভিযানের নাম দিয়েছে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’, আর ইসরায়েল এই মিশনের কোডনাম রেখেছে ‘অপারেশন লায়নস রোয়ার’। দুই দেশের সরকারি সূত্রে দাবি করা হয়েছে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ক্ষমতা এবং বৃহত্তর আঞ্চলিক হুমকি মোকাবিলার স্বার্থেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তাদের বক্তব্য, তেহরানের সামরিক সক্ষমতা ভেঙে দেওয়া ছাড়া বিকল্প ছিল না।তবে এই সংঘাত কোথায় গিয়ে থামবে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের আগুন কি বিশ্ব রাজনীতিকেও গ্রাস করবে—এখন সেই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে কূটনৈতিক মহলে।

Latest