নিজস্ব সংবাদদাতা: বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের প্রাকৃতিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ অনুষ্ঠানে দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের মধ্যে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার বার্তা নতুনভাবে উজ্জ্বল হলো। বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে হাইকমিশনার মহম্মদ রিয়াজ হামিদুল্লাহ দুই দেশের পারস্পরিক বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক স্বার্থের উপর গুরুত্বারোপ করে বললেন, “বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় ও সমন্বিত করার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” উক্ত অনুষ্ঠানে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিং উপস্থিত থেকে দুই দেশের দীর্ঘ ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক বন্ধনের কথা স্মরণ করান। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠনের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ছিলেন প্রথম রাষ্ট্রপ্রধান, যিনি নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানান। উভয় পক্ষই স্বীকার করেছেন, স্বাধীনতা আন্দোলনে ভারতের অবদান চিরস্মরণীয়। দীর্ঘ রাজনৈতিক টানাপোড়েনের পর বাংলাদেশের নতুন সরকারকে কেন্দ্র করে দু’দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে যে জল্পনা ছিল, অনুষ্ঠানটির সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ তা সুস্পষ্টভাবে অবসান ঘটিয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আগামী দিনে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতাকে আরও নতুন মাত্রা দেবে।
ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক ও সুদৃঢ় করার পথে বাংলাদেশ?