Skip to content

খড়্গপুর শহরে হিন্দু সম্মেলন!

অরিন্দম চক্রবর্তী: খড়্গপুর শহরের গীতা জাগরণ সমিতির আয়োজনে ১৮ জানুয়ারি রবিবার বিকাল তিনটায় মালঞ্চ ধোবি ঘাটে হিন্দু সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেলডাঙ্গা ভারত সেবাশ্রম সংঘের অধ্যক্ষ তথা পদ্মশ্রী পুরস্কার প্রাপ্ত বিশিষ্ট সাধু হিন্দু হৃদয় সম্রাট স্বামী প্রদীপ্তানন্দ জি (কার্তিক) মহারাজ। দীর্ঘ বক্তব্যে তিনি বলেন-"পশুত্ব থেকে দেবত্বে উন্নীত হওয়াকে ধর্ম বলি আমরা। গীতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন মানুষের কল্যাণে নিয়োজিত গীতা। এটি আকাশের মত উদার সমুদ্রের মতো গভীর।

মানুষের সমস্ত প্রশ্নের উত্তর এই বইতে আছে। মন্দিরের -শ্মশানে, সধবা- বিধবা, সন্ন্যাসী -ভিখারী সবার জীবনের সাথী এটি। স্বামী বিবেকানন্দ বলেছিলেন পৃথিবীতে এমন কোন পূণ্যভূমি থাকে তাহলে আমার ভারত বর্ষ।"মহারাজ জি বলেন-"হিন্দুদের ধর্মের দুটো দিক অন্তরঙ্গ ও বহিরঙ্গ সাধনা। বহিরঙ্গ সাধনায় আমরা এতটাই মশগুল যে অন্তরঙ্গ সাধনা আমরা ভুলে গেছি।"অনুষ্ঠানে বিশেষ বক্তা লখনউ থেকে আগত কবি অটল নারায়ন জি।

তিনি বলেন-"রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের শতবার্ষিকী পালন করছি আমরা এবছর। হিন্দুদের জাগরিত করার জন্য এই সম্মেলন গুলির আয়োজন। স্বামী বিবেকানন্দ শিকাগো মহা ধর্ম সম্মেলনে বলেছিলেন আমি গর্বিত আমি হিন্দু। বর্তমানে আমাদের এক হতে হবে বাড়াতে হবে সদ্ভাবনা। সংঘ, শক্তি ও একতাকে মূল মন্ত্র করতে হবে। হিন্দু সনাতন ধর্মের কুৎসা মেনে নেব না আমরা। আমাদের জন্মভূমি ভারত স্বর্গের থেকেও বড়। একে রক্ষা করার সব রকম ব্যবস্থা করতে হবে আমাদের।"এছাড়া সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন প্রফেসর সুদীপ্ত বন্দ্যোপাধ্যায়, ঠাকুরদাস অধিকারী, কল্যাণী মাতা, দীপক কুমার, শচীন সিংহ ও আরো বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। এদিনের অনুষ্ঠান শুরু হয় প্রিয়াঙ্কা কর্মকারের"হে পার্থ সারথি...."গানটি দিয়ে। এরপর গীতা পাঠ করেন চন্দ্রকান্ত শর্মা ও হেনা সাতরা ও সহযোগী শিল্পীরা। এরপর মঙ্গলাচরণ করেন মহিলা পুরোহিত সোমদুতি চক্রবর্তী। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সুনীল করন।

Latest