দাঁতনে তিন দিনের শিশু-কিশোর বইমেলার সমাপ্তি, নতুন কলেবরে প্রকাশিত ‘মৃৎস্না’!

দাঁতনে তিন দিনের শিশু-কিশোর বইমেলার সমাপ্তি, নতুন কলেবরে প্রকাশিত ‘মৃৎস্না’!

নিজস্ব সংবাদদাতা : বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা, শিশু-কিশোরদের কল্পনাশক্তির বিকাশ এবং জ্ঞানের পরিধি বাড়ানোর লক্ষ্যে আয়োজিত তিন দিনের ‘শিশু-কিশোর বইমেলা’র সমাপ্তি হল শনিবার।

ভগবতী দেবী প্রাথমিক শিক্ষক শিখন সংস্থার ব্যবস্থাপনায় এবং NDLI Club, NSS Unit, ভগবতী দেবী শিক্ষা নিকেতন ও দণ্ডভুক্তি রিসার্চ ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় এই বইমেলার আয়োজন করা হয়। মেলার অন্যতম আকর্ষণ ছিল কলেজের বার্ষিক দেওয়াল পত্রিকা ‘মৃৎস্না’-র নবকলেবরে আত্মপ্রকাশ।অনুষ্ঠানের উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দাঁতন ভট্টর কলেজের অধ্যক্ষ ড. গিরিধারী পণ্ডা। প্রধান অতিথি ছিলেন প্রাক্তন শিক্ষা আধিকারিক পূর্ণেন্দু উত্থাসিনি,সন্তু জানা প্রমুখ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কলেজের সভাপতি কার্তিক চন্দ্র আচার্য, ভগবতী দেবী পি.টি.টি.আই.-এর অধ্যক্ষ ড. সিদ্ধার্থশঙ্কর মিশ্র-সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। উদ্বোধনের পর অতিথিরা বইমেলার বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন এবং পাঠক ও গ্রন্থানুরাগীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।মেলায় অংশ নেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক, প্রকাশক ও বিভিন্ন প্রকাশনা সংস্থার প্রতিনিধিরা। আলোচনায় উঠে আসে মানসম্পন্ন সাহিত্য প্রকাশ, বাণিজ্যিক স্বার্থের পাশাপাশি সৃজনশীল লেখাকে গুরুত্ব দেওয়া এবং অনুবাদের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যকে আন্তর্জাতিক পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার প্রসঙ্গ।

শুধু বই কেনাবেচাতেই সীমাবদ্ধ ছিল না এই বইমেলা। তিন দিন ধরে ছাত্রছাত্রীদের বক্তব্য প্রতিযোগিতা, রিডিং ফেস্টিভ্যাল-সহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। তাতে পড়ুয়াদের অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখযোগ্য।শনিবার পড়ন্ত বিকেলে মেলার সমাপ্তি ঘটতেই প্রাঙ্গণে নেমে আসে বিদায়ের সুর। লেখক ও প্রকাশকদের মধ্যে একদিকে ছিল মেলা সফলভাবে শেষ হওয়ার তৃপ্তি, অন্যদিকে ছিল তিন দিনের ব্যস্ততা শেষে ক্লান্তি ও বিদায়ের বিষাদ। একই সঙ্গে আগামী বছর নতুন বই ও নতুন উদ্যম নিয়ে ফিরে আসার প্রত্যাশাও জানান প্রকাশকরা।শিশু-কিশোরদের মধ্যে বই পড়ার আগ্রহ বাড়ানো এবং সাহিত্য-সংস্কৃতির প্রতি ভালোবাসা গড়ে তোলার বার্তা দিয়েই শেষ হল এই তিন দিনের বইমেলা।

\\\\\\\\n\\\\\\\\n\\\\\\\\n\\\\n\\\\n\\n\\n\n\n