জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটরের মৃত্যু,স্ত্রীর শেষকৃত্যের আগেই আত্মহত্যার চেষ্টা স্বামীর!

জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটরের মৃত্যু,স্ত্রীর শেষকৃত্যের আগেই আত্মহত্যার চেষ্টা স্বামীর!
সীমা দাস শাসমল এবং স্বামী মনোজিৎ শাসমল। ছবি: সমাজ মাধ্যম থেকে নেওয়া।
নিজস্ব সংবাদদাতা : সমাজমাধ্যমে জনপ্রিয় তরুণী কনটেন্ট ক্রিয়েটরের আকস্মিক মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরে। মাত্র ২১ বছর বয়সি সীমা দাস শাসমল বিষাক্ত রাসায়নিক খেয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ। আর স্ত্রীর মৃত্যুর খবরের মধ্যেই গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করলেন তাঁর স্বামী মনোজিৎ শাসমল। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে,শনিবার বিকেলে চণ্ডীপুর থানার পায়রাচালি গ্রামের বাসিন্দা সীমা অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে চণ্ডীপুরের একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে তমলুকের একটি নার্সিংহোমে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেই শনিবার রাতে তাঁর মৃত্যু হয়।রবিবার ময়নাতদন্তের জন্য সীমার দেহ তমলুক মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়। ময়নাতদন্ত সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আনতে বাড়িতে গিয়েছিলেন তাঁর স্বামী মনোজিৎ। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ বাড়ি থেকে বের না হওয়ায় সন্দেহ হয় প্রতিবেশীদের। ডাকাডাকি করেও কোনও সাড়া না পেয়ে তাঁরা ঘরে ঢুকে দেখেন, গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলছেন মনোজিৎ। তবে তখনও তাঁর দেহে প্রাণ ছিল। প্রতিবেশীরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে তমলুকের একটি নার্সিংহোমে তাঁর চিকিৎসা চলছে।সীমার আকস্মিক মৃত্যু এবং তাঁর স্বামীর আত্মহত্যার চেষ্টাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে নানা ধরনের পোস্ট ও জল্পনা ছড়িয়েছে। অনেকেই ঘটনাটিকে ঘিরে প্রশ্ন তুলেছেন। যদিও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সীমার মৃত্যুর ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।পুলিশের পক্ষ থেকে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। সীমার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহের মধ্যে কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং তদন্তের অগ্রগতির পরই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট তথ্য সামনে আসবে।