Skip to content

সময় কম, নথি পাহাড়প্রমাণ—চারদিনে ৭০ লক্ষ নথি! ভোটার তালিকা ঘিরে বাড়ছে চাপ!

1 min read

নিজস্ব সংবাদদাতা : মাত্র চারদিন। আর সেই সময়ের মধ্যেই খতিয়ে দেখতে হবে প্রায় ৭০ লক্ষ ভোটারের নথি! Supreme Court of India-এর নজিরবিহীন নির্দেশের পর চাপে প্রশাসন, তৎপর বিচার বিভাগ। সোমবারও দফায় দফায় বৈঠক করলেন Calcutta High Court-এর প্রধান বিচারপতি। উপস্থিত ছিলেন মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল, মুখ্যসচিব-সহ একাধিক শীর্ষ আমলা। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, হাই কোর্ট নিযুক্ত বিচার বিভাগীয় আধিকারিকরা এসআইআর-এ উঠে আসা ভোটারদের তথ্যগত অসঙ্গতি খতিয়ে দেখে নিষ্পত্তি করবেন। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করতে হবে। ফলে হাতে কার্যত সময় নেই বললেই চলে। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে—চারদিনে কীভাবে সম্ভব ৭০ লক্ষ নথির চূড়ান্ত যাচাই?

প্রযুক্তিগত সমস্যা, তবে দাবি—“মিটে গিয়েছে অনেকটাই”

সোমবার থেকেই শুরু হয়েছে চূড়ান্ত যাচাই প্রক্রিয়া। কিন্তু শুরুতেই ওটিপি-সহ একাধিক প্রযুক্তিগত সমস্যার মুখে পড়ে পোর্টাল। যদিও মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালের দাবি, বেশিরভাগ সমস্যাই ইতিমধ্যে সমাধান করা হয়েছে। সিইও দপ্তর সূত্রে খবর, বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের সামনে পোর্টালের সম্পূর্ণ কার্যপ্রণালী তুলে ধরা হয়েছে। কীভাবে নথি আপলোড, যাচাই ও প্রয়োজন হলে মুছে ফেলা হবে—সবকিছুর ডেমো দেখানো হয় বৈঠকে। আবেদন গ্রহণ বা বাতিল হলে তার কারণ জানানো বাধ্যতামূলক—এই বিষয়েও স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্দিষ্ট নির্দেশিকার বাইরে পদক্ষেপ নয়

হাই কোর্ট সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়েছেন—চূড়ান্ত নির্দেশিকার বাইরে কোনও পদক্ষেপ করা যাবে না। কোন নিয়ম মেনে বিচার বিভাগীয় আধিকারিকরা সিদ্ধান্ত নেবেন, কীভাবে আবেদন নিষ্পত্তি হবে, বাতিলের কারণ কীভাবে জানাতে হবে—সবকিছু নিয়ে একটি সুস্পষ্ট গাইডলাইন চূড়ান্ত হয়েছে। শুধু তাই নয়, প্রতিদিন এসআইআর সংক্রান্ত কাজের অগ্রগতির রিপোর্ট হাই কোর্টে জমা দিতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। অর্থাৎ পুরো প্রক্রিয়া এখন আদালতের সরাসরি নজরদারিতে।

সময়সীমা ঘিরে বাড়ছে চাপ

২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের বাধ্যবাধকতা ঘিরে বাড়ছে প্রশাসনিক চাপ। এত বিপুল সংখ্যক নথি স্বল্প সময়ে যাচাই করা বাস্তবে কতটা সম্ভব—তা নিয়েই রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। কমিশনের দাবি, প্রশাসনিক ও আইনি দিক মাথায় রেখেই কাজ এগোচ্ছে। তবে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এই বিশাল যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যে সহজ নয়, তা স্পষ্ট। এখন দেখার—নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে কতটা সাফল্যের সঙ্গে শেষ হয় এই নজিরবিহীন প্রক্রিয়া।

Latest