Skip to content

মোদীর ব্রিগেড সভা ঘিরে বিশেষ ট্রেন, রাজনৈতিক মহলে জোর বিতর্ক!

নিজস্ব সংবাদদাতা:  কলকাতার ব্রিগেড ময়দানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভাকে ঘিরে আসানসোল ও বরাকর থেকে বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শুক্রবার রাত থেকেই বিজেপি কর্মী ও সমর্থকদের একাংশ এই বিশেষ ট্রেনে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেন। আর এই ট্রেন ব্যবস্থাপনাকে ঘিরেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক। রেল সূত্রে জানা গেছে, প্রথম বিশেষ ট্রেনটি শুক্রবার রাত ১০টা ১৫ মিনিটে আসানসোল স্টেশন থেকে ছাড়ে। দ্বিতীয় ট্রেনটি বরাকর স্টেশন থেকে রাত ১২টায় রওনা দেয়। ব্রিগেড সভার একদিন আগেই বহু বিজেপি সমর্থক এই ট্রেনগুলিতে চেপে কলকাতার উদ্দেশে যাত্রা করেন। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে এই বিশেষ ট্রেনের কড়া সমালোচনা করা হয়েছে। তৃণমূলের রাজ্য নেতা ভি শিবদাসন দাশুর অভিযোগ, করোনা মহামারির সময় সাধারণ মানুষের জন্য রেল পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। অথচ এখন ব্রিগেড সমাবেশে ভিড় বাড়ানোর উদ্দেশ্যে ভিনরাজ্য থেকে পরিযায়ী সমর্থকদের নিয়ে আসতে এই বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। অন্যদিকে বিজেপি নেতৃত্ব এই অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে। তাঁদের দাবি, কোনও ভিনরাজ্যের মানুষ নয়, বরং স্থানীয় সাতটি বিধানসভা এলাকার বিজেপি কর্মী-সমর্থকরাই প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ শোনার উদ্দেশ্যে কলকাতার দিকে রওনা দিয়েছেন। পাশাপাশি দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগেভাগেই ভাড়া দিয়ে এই ট্রেন বুক করা হয়েছিল। আসানসোল স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, প্রথম ট্রেনটি রাত পৌনে ১০টায় ছাড়ার কথা থাকলেও কর্মীদের ব্যান্ড-বাজনা ও উচ্ছ্বাসের কারণে নির্ধারিত সময়ে যাত্রীরা ট্রেনে উঠতে পারেননি। অভিযোগ, একাধিকবার চেইন পুলিং হওয়ায় ট্রেনটি দেরিতে ছাড়ে। শেষ পর্যন্ত রাত ১০টা ১৬ মিনিটে ৭ নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে ট্রেনটি ছাড়ে। অন্যদিকে বরাকর থেকে ছাড়া ট্রেনটি রাত ১১টার সময় ছাড়ার কথা থাকলেও রাত ১২টার সময় আসানসোল স্টেশনে পৌঁছায়। অভিযোগ উঠেছে, ওই ট্রেনে ঝাড়খণ্ডের ধানবাদ ও নীরসা এলাকা থেকেও বিজেপি সমর্থকরা কলকাতার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। এছাড়াও শনিবার ভোরে আসানসোল স্টেশন থেকে অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস, কোলফিল্ড এক্সপ্রেস এবং ইন্টারসিটি এক্সপ্রেসে চেপে বহু বিজেপি সমর্থক ব্রিগেড সমাবেশে যোগ দিতে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেন।

Latest