নিজস্ব সংবাদদাতা : ৩রা মার্চ মঙ্গলবারে পা দিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের সংঘাতের চতুর্থ দিন। লড়াই এখন আর সীমাবদ্ধ নেই শুধু দুই দেশের মধ্যে—উপসাগরীয় অঞ্চল ও লেবাননেও ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধের আগুন। পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল ও ভয়াবহ হয়ে উঠছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump জানিয়েছেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক কর্মসূচি থামানোর জন্য এই সামরিক অভিযানই “শেষ ও সেরা সুযোগ”। তিনি সতর্ক করে বলেন, অভিযান চার থেকে পাঁচ সপ্তাহ পর্যন্ত চলতে পারে, প্রয়োজন হলে আরও দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। সংঘর্ষের মাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হতাহতের সংখ্যাও দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। তেহরান ও বৈরুতে ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারক সংস্থার দফতরেও হামলার খবর মিলেছে। ইরান ও লেবানন মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা ৭০০ ছাড়িয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা যাচ্ছে। মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী যৌথভাবে ইরানের একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা চালাচ্ছে। একই সঙ্গে লেবাননেও অভিযান বিস্তৃত করেছে ইসরায়েল। ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠী Hezbollah ইসরায়েলের দিকে রকেট ছোড়ার দাবি করেছে। তার জবাবে ইসরায়েল জানিয়েছে, বৈরুত ও সংলগ্ন এলাকায় হিজবুল্লাহর ঘাঁটিতে পাল্টা আঘাত হানা হয়েছে। এদিকে উপসাগরীয় অঞ্চলেও উত্তেজনা চরমে। United Arab Emirates দাবি করেছে, ইরান থেকে নিক্ষিপ্ত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সফলভাবে প্রতিহত করেছে। অন্যদিকে Saudi Arabia জানিয়েছে, রিয়াদে মার্কিন দূতাবাস প্রাঙ্গণের কাছে দুটি ড্রোন আঘাত হেনেছে। এতে সামান্য ক্ষতি ও অল্প অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, তবে বড় ধরনের হতাহতের খবর নেই। যুদ্ধের জেরে সমুদ্রপথ ও আকাশপথে চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারেও তার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেবে, তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে বিশ্বজুড়ে।
চতুর্থ দিনে তীব্রতর যুদ্ধ! তেহরান থেকে বৈরুত—মার্কিন-ইসরায়েলি হামলা, মৃত ৭০০!