Skip to content

মাটিগাড়ায় নাবালিকাকে বন্দি রেখে ধর্ষণের অভিযোগ, ‘মামলা এড়াতে জোর করে বিয়ে’;ধৃত তৃণমূল নেতার দুই পুত্র

প্রতীকী ছবি।

নিজস্ব সংবাদদাতা : প্রায় তিন মাস ধরে এক ১৫ বছরের নাবালিকাকে বাড়িতে আটকে রেখে বারংবার ধর্ষণ, শারীরিক নির্যাতন এবং জোর করে বিয়ের অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত শিলিগুড়ির মাটিগাড়া থানা এলাকা। অভিযোগের তির মাটিগাড়ার এক তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যের দুই পুত্রের বিরুদ্ধে। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে মঙ্গলবার দু’জনকেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রাস্তা থেকে ওই নাবালিকাকে তুলে নিয়ে গিয়ে একটি বাড়িতে আটকে রাখা হয়েছিল। অভিযোগ, সেখানে দিনের পর দিন পঞ্চায়েত সদস্যের দুই পুত্র এবং তাঁদের কয়েক জন বন্ধু নাবালিকার উপর যৌন নির্যাতন চালাতেন। মামলা এড়াতেই পরে পঞ্চায়েত সদস্যের এক পুত্রের সঙ্গে নাবালিকার লোকদেখানো বিয়ে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। পরিবারের দাবি, বিয়ের পরেও নির্যাতন বন্ধ হয়নি। বরং অভিযুক্ত দুই ভাই এবং তাঁদের সঙ্গীরা বারবার নাবালিকাকে ধর্ষণ ও যৌন হেনস্থা করতেন। মেয়েটিকে উদ্ধার করতে পরিবারের সদস্যরা অভিযুক্তদের বাড়িতে গেলে তাঁদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এমনকি নাবালিকার ভাইয়ের মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে ভয় দেখানো হয়েছিল বলেও দাবি পরিবারের। পরিবারের আরও অভিযোগ, এর আগে একাধিক বার থানায় অভিযোগ জানাতে গেলেও পুলিশ তা নিতে রাজি হয়নি। যদিও এই অভিযোগ নিয়ে পুলিশের তরফে এখনও বিস্তারিত কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।নাবালিকার বক্তব্য, “আমার মা আমাকে বারবার ওই বাড়ি থেকে বের করে আনার চেষ্টা করেছে। কিন্তু ওরা মেরে ফেলার হুমকি দিত। আমার ভাইয়ের মাথায় বন্দুক ঠেকিয়েও ভয় দেখানো হয়েছিল। তাই পরিবার সব জেনেও কিছু করতে পারেনি। এ বার কোনওভাবে পালিয়ে এসে পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছি।” অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার হওয়া দুই অভিযুক্তকে মঙ্গলবার শিলিগুড়ি মহকুমা আদালতে তোলা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে বাল্যবিবাহের মামলা-সহ ধর্ষণ এবং পকসো আইনে মামলা রুজু হয়েছে। ধৃতদের হেফাজতে নিয়ে পুরো ঘটনা জানতে চাইছেন তদন্তরকারীরা।

Latest